5

আত্মউন্নয়ন – কোন বিষয়ে যেকারো সাথে দ্বিমত পোষণ করার আগে যে ৭টি বিষয় ভাবতে হবে !

দ্বিমত

বন্ধু-বান্ধব, ভাই-বোন, বাবা-মা বা অন্য কোন আত্মীয় কিংবা নিতান্তই অচেনা কারো সাথে কতশত বিষয়েই না দ্বিমত পোষণ করেছেন ! কিন্তু দ্বিমত পোষণ করার ব্যাপারটা ছোটখাট কিংবা বড় আকারের কোন ঝগড়ায় রূপ নেয়। যা দুই পক্ষের মধ্যেই মনোমালিন্য সৃষ্টি করবে এবং সম্পর্কে খানিকটা হলেও অবনতি ঘটাতে সক্ষম ! কিন্তু এমনটা কারোই কাম্য না। সে কথা মাথায় রেখেই আত্মউন্নয়ন পর্বের তৃতীয় পোস্ট এ আলোচনা করা হবে যে কারো সাথে যেভাবে দ্বিমত পোষণ করা যাবে  তা নিয়ে।

১ – তথ্যের সত্যতা যাচাই

যেকারো সাথে কোন বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করার পূর্বে অবশ্যই নিজের এবং অপরজনের তথ্যের সত্যতা যাচাই করে নিতে হবে। যদি সঠিক তথ্য জানা না থাকে তাহলে কখনোই কারো সাথে দ্বিমত পোষণ করা উচিৎ নয়। যেমন কেউ আপনাকে যদি বলে যে গরু ঘাস খায় ঠিকই কিন্তু ঘাস হজম করার মতো ক্ষমতা গরুর নেই। এক্ষেত্রে আপনি কি করবেন? আপনার তো সেই ছোটবেলা থেকেই জানা যে গরু ঘাস খায় আর ঘাস খেয়েই খাদ্যের অনেকটাই পূরণ করে। সেক্ষেত্রে “কমন সেন্স” হিসেবে ধরে নিয়ে আপনি তথ্যের সত্যতা যাচাই না করেই তার সাথে দ্বিমত পোষণ করে তর্ক জুড়ে দিলেন ! এক্ষেত্রে আপনি যার সাথে দ্বিমত পোষণ করলেন তার তথ্যের সত্যতা যাচাই এর বিন্দুমাত্র চেষ্টা না করেই !

সত্য খুঁজুন

অথচ জেনে অবাক হবেন মানুষের মতো গরুরও ঘাস হজম করার ক্ষমতা নেই। ঘাসে সেলুলোজ থাকে, যা হজম করার ক্ষমতা গরুরও নেই, এখন প্রশ্ন আসে তাহলে গরু ঘাস খেয়ে বাঁচে কিভাবে ! তাদের পাকস্থলীতে এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা সেলোলোজকে ভাঙ্গতে সক্ষম, যার ফলে বাকিটা পাকস্থলী সহজেই হজম করে নিতে পারে। ধরুণ যার সাথে আপনি এই বিষয়ে তর্ক করলেন সে রসায়নের ছাত্র এবং সে যথাযথ তথ্য উপাত্ত জেনেই আপনাকে বিষয়টা জানালো। কিন্তু আপনি দ্বিমত পোষণ করলেন তথ্যের সত্যতা যাচাই ছাড়া। এক্ষেত্রে আপনার উচিৎ ছিলো তাকে জিজ্ঞেস করা তার এই তথ্যের উৎস কি। তখন হয়তো সে মূল ব্যাপারটা বলতো আর আপনিও জেনে নিতে পারতেন। এতে করে আপনারা ছোটখাট একটা বিবাদ হওয়া থেকে বেচে গেলেন।

যেকোনো সময় যদি নতুন কোন তথ্য জানেন কারো কাছ থেকে বা এমন কোন তথ্য জানেন যে সম্পর্কে আপনার জানা থাকলেও স্পষ্ট ধারণা নেই সেক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় যে আপনাকে তথ্য দিচ্ছে সরাসরি তাকেই জিজ্ঞেস করে নেয়া। তাহলে আপনি তার তথ্যের উৎস জানতে পারবেন। তারপরেও যদি তার কথায় আপনার সন্দেহ থাকে বা আপনি স্পষ্ট ধারণা না রাখেন তাহলে তাকে জানাতে পারেন যে আপনার জানামতে বিষয়টা এমন হওয়ার কথা না। তখন আপনি পরবর্তীতে সে বিষয়ে জেনে যদি তার ভুল হয়ে থাকে তাহলে তাকে ভদ্রভাবে শুধ্রে দিতে পারেন। 🙂

২ – শান্ত থাকা

শান্ত

যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্ত থাকতে পারাটা নিঃসন্দেহে অনেক বড় গুণ ! যদি এমন হয় যে কেউ আপনাকে এমন কিছু বললো যা সন্দেহাতীতভাবে ভুল এবং আপনি সঠিক তথ্যটা জানেন। সেক্ষেত্রে অপ্রকৃতস্থ হয়ে না গিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় তাকে বিষয়টা বুঝিয়ে বলুন। আর এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার তথ্যের ভিত্তি কি সেটাও তুলে ধরুন। মনে করুন, আপনি জানেন যে আইফেল টাওয়ার আর স্ট্যাচু অব লিবার্টি একই মানুষ তৈরী করেছেন ! আর এটা আপনার কোন এক বন্ধুকে আপনি বলায় সে কোন রকম বাধ বিচার না করেই দ্বিমত পোষণ করলো ! এখন আপনি যেহেতু সঠিক তথ্যটি জানেন তাই তার মতের সাথে আপনিও দ্বিমত পোষণ করলেন। কিন্তু সে কিছুতেই বিশ্বাস করতে রাজি না। তখন আপনি তাকে নির্ভরযোগ্য কোন কিছুর রেফারেন্স দিতে পারেন যাতে করে সে জেনে নিতে পারে ! এক্ষেত্রে শান্ত ভাবেই তাকে বুঝাতে হবে, যদিও সে রেগে যায় তবুও আপনাকে শান্ত থাকতে হবে, কারণ আপনি জানেন সত্য কি এবং আপনি এও জানেন আপনার কাছে প্রমাণ আছে। তাই সে দ্বিমত পোষণ করলে নির্দ্বিধায় তাকে প্রমাণ দিয়ে দিন।  এক্ষেত্রে পিপীলিকাকেও রেফারেস হিসেবে দেখাতে পারেন 😉

এভাবে আপনি যখন সঠিক তথ্য জানেন তখন শান্তভাবে দ্বিমত পোষণ করে তাকে রেফারেন্স দিয়ে দিতে পারেন । তবে যদি কোন বিষয় আপনার জানা না থাকে বা অস্পষ্ট ধারণা থাকে তাহলেও আপনার উচিৎ হবে শান্ত থাকা।  যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্ত থাকলে সহজেই সার্বিক অবস্থা নিজের অণুকুলে আনা যায়। আর সঠিক তথ্য জানা থাকলে আমাদের নিজেদের ভাব খানিকটা বোধহয় বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে কাউকে নির্বোধ, গাধা, বোকা থেকে শুরু করে হরেকরকম মন্তব্য করি আমরা ! আমরা যদি কোন বিষয়ে কম জানি কিংবা না জানি, তখন কেউ আমাদেরকে এমন বললে কেমন লাগবে? হয়তো মনে হবে কশায়ে চড় লাগাতে ! জানিনা বলে এতো ভাব? ঠিক তেমনই ভাবে যখন আমরা না জানার কারণে কাউকে অপদস্থ করবো তখন তারও মনে হবে কশায়ে চড় লাগাই একটা, জানিনা বলে এতো ভাব !  অপদস্থ না করে, শান্ত থাকা উচিৎ। ভাবটা নাহয় মনে মনেই মারলাম আমরা ! :mrgreen:

৩ – হতে পারে vs হবে না/ হবে

কোন বিষয়ের ক্ষেত্রে একাধিক মতোবাদ থাকাটা মোটেও অস্বাভাবিক না। এক্ষেত্রে সাধারণত একাধিক মতামত থাকে এবং প্রত্যেক মতদানকারীরই নিজস্ব কিছু যুক্তি থাকে। যেমন একসময় বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলো ২০৫০ সাল নাগাদ পৃথিবীর অনেক অংশই পানিতে তলিয়ে যাবে। আর এতে বাংলাদেশও তলিয়ে যাবে এবং আমরা পানিবন্দী হয়ে পড়বো। এক্ষেত্রে বিষয়টা ভবিষ্যতে হবে বলে “ধারণা” করা হচ্ছে। অর্থাৎ নিশ্চিত না, হতেও পারে কিংবা নাও হতে পারে। যদিও সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ২০৫০ সাল নাগাদ তারা যেমনটা ধারণা করেছিলেন তেমন কিছু হচ্ছে না, তবুও আমরা ধরে নিচ্ছি যে এই মতবাদটি আমরা পাইনি। এখন আপনার কোন বন্ধু বললো যে “দোস্ত, ২০৫০ এর মধ্যে তো দেশ পুরাই ডুইবা যাইবো। ঘরে বয়া বয়া বয়াই মাছ ধরুমনে ! “। প্রত্যুত্তরে আপনি যদি বলেন “না, ডুববোনা দেশ। আমি জানি” এক্ষেত্রে আপনি জানেননা কি হতে যাচ্ছে ভবিশ্যতে এবং আপনার বন্ধুটিও জানেনা কি হতে যাচ্ছে ভবিষ্যতে। তাই সরাসরি “হবে” কিংবা “হবে না” ব্যবহার না করে যদি দুইজনেই “হতে পারে” বা এই জাতীয় কিছু ব্যবহার করতেন তাহলে মনোমালিন্য হওয়ার কোন সুযোগও থাকছে না এবং যথারীতি কোন বিবাদ বা যুক্তিতর্ক ছাড়াই বিষয়টা আপনারা এড়িয়ে যেতে পারছেন।

একইভাবে অতীতে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনা বা বর্তমানে ঘটছে এমন কোন ঘটনার ক্ষেত্রেও নিশ্চিত না হলে “হতে পারে” বা একই ধাচের বাক্যগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে কারো কথার সাথে একমত না হয়েও আপনি কোনরকম ফ্যাসাদ ছাড়াই দ্বিমত পোষণ করে দিতে পারছেন।

৪ – দ্বিমত পোষণ করার জন্যেই দ্বিমত পোষণ করা উচিৎ নয়

এমন হতে পারে যে কাউকে আপনি অপছন্দ করেন, একদমই দেখতে পারেন না। সেক্ষেত্রে মানুষ হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই তার ভালো দিকগুলোর চেয়ে তার দোষ-ত্রুটিই আপনার নজড়ে বেশি পড়বে। তার যেকোনো মতামতের সাথেই হয়তো আপনি দ্বিমত পোষণ করতে চাইবেন। এমনও হতে পারে যে আপনি জানেন যে সে ঠিকই বলেছে তাও শুধু দ্বিমত পোষণ করার জন্যেই বা তর্ক করার জন্যেই তার কথায় দ্বিমত পোষণ করলেন। সে হয়তো বললো যে চিংড়ীকে আসলে মাছ বলা হলেও চিংড়ী আসলে পোকা, আর সাথে সাথে আপনি তাকে বাঁধা দিয়ে কোন একটা যুক্তি জুড়ে দিলেন ! এক্ষেত্রে শুধু তর্কই হবে, ফলাফল শুণ্য। কারণ আপনি নিতান্তই ঝগড়া করার জন্যেই এমনটা করলেন। আত্মউন্নয়ন করতে চাইলে আপনার এউ গুণ থেকে থাকলে পরিত্যাগ করতে হবে।

৫ – অভিজ্ঞতা

কারো সাথে কোন বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করার আগে অবশ্যই সে বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা কেমন তা যেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন। আপনি যত বড় ক্রিকেট বোদ্ধাই হননা কেন, যদি কখনো হাজারো দর্শকের সামনে মাঠে খেলে না থাকেন তাহলে কখনোই বুঝতে পারবেন না একজন ক্রিকেটার ঐ পরিস্থিতে কতটা চাপে থাকেন ! এক্ষেত্রে যদি আপনি রিকি পন্টিং এর সাথে মাঠে খেলার সময় কোন চাপই থাকেনা বলে তার সাথে দ্বিমত পোষণ করেন তাহলে কখনোই হবে না। কারণ সে অভিজ্ঞ, সে জানে ঐ পরিস্থিতিতে কেমন চাপ থাকে ! আপনার যেহেতু কোন অভিজ্ঞতাই নেই এক্ষেত্রে সেহেতু আপনি দ্বিমত পোষণ করার আগে ভাববেন যার সাথে দ্বিমত পোষণ করছেন তিনি ঐ বিষয়ে কতটা বিজ্ঞ ! 😛

ঠিক একই ভাবে একজন ফটোগ্রাফার, যিনি ফটোগ্রাফির অ আ ক খ বহু আগেই পার করেছেন। তার সাথে যদি যুক্তি তর্কে নামেন যে ক্যামেরার মেগাপিক্সেল বেশি মানেই ক্যামেরা ভালো। তাহলে কখনোই আপনি হিটে টিকবেন না। কারণ সে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং সে খুব ভালো করেই জানে কোনটা কি ! তাই যেকারো সাথে দ্বিমত পোষণ করার আগে সেক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিন। 🙂

৬ – বয়স

যেকোনো বয়েসের মানুষের সাথেই হয়তো কোন বিষয়ে দ্বিমত থাকতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে যদি অপর পাশের ব্যক্তিটি আপনার থেকে বয়েসে তুলনামূলক অনেক ছোট বা বড় হয় তবে আপনাকে কিছুটা ভিন্নভাবে আচরণ করতে হবে। ছোট কাউকে কখনোই না জানার কারণে অবহেলা করা উচিৎ নয়। সবসময় নিজেকে অন্য কারো জায়গার ভাবার চেষ্টা করুন। এতে অন্যকে সম্মান দিতে সহজ হবে। বয়েসে ছোট কেউ থাকলে তাকে জিজ্ঞেস করুন, সে কিভাবে জানলো। যদি সে বলতে পারে আর তার কথা যুক্তিযুক্ত হয় তাহলে তাকে বাহবা দিন। আর যদি ভুল বলে থাকে তাহলে ২ নং পয়েন্টের মতই শান্ত থেকে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন কেন তার কথা ভুল এবং কেন আপনার কথা সঠিক। তাকে ঝাড়ি ঝাপটা দিলে কিংবা রাগারাগি করলে তার মনোবল  ভেঙে যাবে। তাই স্বাভাবিকভাবে শান্ত ভঙ্গিতে বোঝানো উচিৎ  হবে তাকে।

আর যদি এমন হয় যে আপনি বয়েসে বড় কারো সাথে কোন বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করলেন, তখন আপনাকে যথেষ্ট সম্মান দিয়ে কথা বলতে হবে। সে যদি সূর্যকে চাঁদ আর চাঁদকে সূর্য বলে তাও মাথা গরম করবেন না। মনে রাখবেন সে আপনার চেয়ে বয়েসে বড়, আপনার শ্রদ্ধার পাত্র। তাকে অসম্মান করবেন না। এতে মনোকষ্ট পাবেন তিনি। বয়স্ক কারো সাথে দ্বিমত পোষণ করলে যদি বিষয়টা এমন হয় যে তাকে সঠিক তথ্যটা না জানালে আহামরি ক্ষতি হবেনা, তাহলে তার সাথে দ্বিমত পোষণ না করাই ভালো। নিজের মনেই রেখে দিন আপনার ভিন্ন মত। শুধু শুধুই বয়স্ক কোন মানুষকে কষ্ট না দেয়াই উত্তম। ধরুণ আপনি জানেন যে ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী তাবিজ-কবজ নিষিদ্ধ । কিন্তু আপনার বয়স্ক দাদা এখনো তবিজ কবজ ব্যবহার করেন, আর আপনাকেও বললেন ব্যবহার করতে। এখন যদি সম্ভব হয় তাহলে থাকে কুরআন হাদিসের আলোকে তাকে রেফারেন্স দিয়ে ব্যাখ্যা করুন শান্তভাবে। যদি তা না পারেন, তাহলে তর্ক করার কোন মানে নেই। আপনার দ্বিমত মনের মধ্যেই রেখে দিন। 🙂

৭ – একমত হওয়া

একমত

যদি এমন হয় যে আপনি যার সাথে দ্বিমত পোষণ করলেন সে আপনাকে যথাযথ যুক্তি আর রেফারেন্স দিয়ে বুঝিয়ে দিলো পুরো ব্যাপারটা। তখন আপনার উচিৎ হবে তার সাথে একমত পোষণ করা আর তাকে ধন্যবাদ দেয়া আপনাকে সঠিক তথ্য জানানোর জন্যে। তিনি সঠিক কথা বলছেন তা জানার পরেও যুক্তি-তর্ক চালিয়ে দ্বিমত করার কোন যৌক্তিকতা নেই। দুইজন উকিল, একজন পক্ষে এবং অন্যজন বিপক্ষে আছেন। পক্ষের উকিল যদি বিপক্ষের উকিলকে জিতিয়ে দিতে সক্ষম এমন কোন যুক্তি প্রমাণ পান যা , তখনও কিন্তু তিনি সে বিষয়টা বলবেন না। ঠিক একইভাবে বিপক্ষের জনও যদি কোন যুক্তি-প্রমাণ পান যা পক্ষের উকিলকে জিতিয়ে দিতে সক্ষম, তখন তিনিও বিষয়টা চেপে যাবেন। কারণ তাদের কাজটাই ওমন, নিতান্তই দ্বিমত পোষণ করার জন্যেই তারা দ্বিমত পোষণ করছেন। সত্য জানার পরেও তারা তর্ক চালিয়ে যাবেন।

আমরা উকিল না, সাধারণ মানুষ। আমরা তাদের মতো করে করবোনা। যদি উপলব্ধি করি যে, আমরা যার সাথে দ্বিমত হচ্ছি তিনি সঠিক বলেছেন তাহলে তার সাথে একমত হয়ে যেতে হবে। আর এটাই উচিৎ  😎

তো এই ছিলো ৭টি বিষয় যেগুলো কারো সাথে দ্বিমত পোষণ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ভাবতে হবে এবং করতে হবে। কারো সাথে কোন বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করলে আপনি কি করেন? কিভাবে মানিয়ে চলেন সেটাই জানান কমেন্টে। আমি জানতে আগ্রহী।  lol

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

আরিফুল ইসলাম পলাশ
 

বর্তমানে ঢাকার এক স্বনামধন্য কলেজে অধ্যয়নরত। লেখালেখির ঝোক ছোটবেলা থেকেই। ব্লগিং এ হাতেখড়ি সেই সপ্তম শ্রেণীতে। তখন ঠিকমতো টাইপ করতে পারতাম না, খুব কষ্ট হতো লিখতে। ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। এখন কিবোর্ড চলে বুলেটের মতো। তাই ইচ্ছা আছে বাংলায় তথ্যসমৃদ্ধ ইন্টারনেট দেখার। সেই ভেবেই পিপীলিকাতে লেখা। :) ফেসবুকে আমি

চুলের সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন মাথায় নতুন চুল গজানোর উপায়