6

আকর্ষণীয় টাইটেল বা শিরোনাম লেখার ১০ টি টিপস

ব্লগ শিরোনাম বা টাইটেল নির্বাচনের দশ টিপস

.টাইটেল মূলত এমন হওয়া উচিৎ যাতে করে ভিজিটর টাইটেল দেখামাত্রই ধারণা করে ফেলতে পারেন ব্লগ পোস্টটি কি নিয়ে এবং ভেতরে কেমন তথ্য থাকতে পারে। ধরা যাক আপনি লিখছেন ফায়ারফক্স এর অটোপেজার এড-অন্স নিয়ে। এক্ষেত্রে যদি আপনি লিখেন -“একটি ফায়ারফক্স প্লাগ-ইন – আশা করি সকলের কাজে লাগবে” তাহলে মোটেও ভালো টাইটেল হিসেবে একে ধরা যাবেনা। তবে আপনি যদি লিখেন “অটোপেজারঃ পেজ অটো লোড করার জন্যে দারুণ ফায়ারফক্স এড-অন্স” অথবা “সহজেই পরবর্তী পেইজগুলো লোড করে ফেলুন ফায়ারফক্সের অটোপেজার এড-অন্স দিয়ে” -তাহলে বিষয়টা পাঠকের কাছে পরিষ্কার যে আপনি অটোমেটিকালি পরবর্তী পেইজগুলো লোড করে দেয় এমন কোন ফায়ারফক্স এড-অন্স নিয়ে লিখছেন।

.সবসময় চেষ্টা করবেন যত কম শব্দে টাইটেল শেষ করা যায় তত কম শব্দে শেষ করার জন্যে। টাইটেল অযথা দীর্ঘায়িত করলে বেঢপ দেখা যায়। অল্প শব্দে টাইটেল লেখার চেষ্টা করা উচিৎ।

৩.আকর্ষণীয় টাইটেল বানানোর জন্যে টাইটেলের পূর্বে বিশেষ কিছু শব্দ জুড়ে দেয়া যেতে পারে। উদাহরণ – “……. এর সেরা দশ উপায়”, “সহজেই…”, “যেভাবে…” ইত্যাদি ইত্যাদি। লিখতে লিখতে অভ্যাস হয়ে গেলে নিজে থেকেই বুঝে নিতে পারবেন আপনার লেখার জন্যে আকর্ষণীয় শব্দ কি হতে পারে। তবে বেশি আকর্ষণের জন্যে কেউ “একদিনেই হয়ে যান কোটিপতি” টাইপের টাইটেল বা হেডিং লিখে বসবেন না যেন 😉

.সম্পূর্ণ  ব্লগ পোস্ট লেখা হয়ে গেলে এরপর টাইটেল নির্বাচন করুন, এতে ভালো টাইটেল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আগে টাইটেল নির্বাচন করে ব্লগ পোস্ট লেখাটা ঠিক হবে না।

.যতটুকু পারা যায় সহজ-সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা উচিৎ, দাঁতভাঙ্গা শব্দ ব্যবহার করে টাইটেল ভারী করার কোনই দরকার নেই।

৬.একই টাইটেলে বা কাছাকাছি টাইটেলে কোন লেখা ইতোপূর্বেই লেখা হয়েছে কিনা তা সার্চ ইঞ্জিন থেকে দেখে নিতে পারেন, যদি হয়ে থাকে তাহলে যতটুকু পারা যায় ঐ টাইটেল থেকে ভিন্ন কিছু লেখার চেষ্টা করুন।

.টাইটেলে কখনো পোস্টের বিস্তারিত লেখার দরকার নেই। ছোট্ট করে মূলভাবটা লিখে দিলেই হয়ে যাবে।

৮.অধিকাংশ ব্লগারই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর পেতে সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব টাইটেল লিখেন। এর যেমন ভালো দিক ও আছে, ঠিক তেমনই খারাপ দিকও আছে। সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব টাইটেল লেখার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখা উচিৎ যাতে তা পাঠকের পড়ার উপযুক্ত থাকে।

৯.সাম্প্রতিক কোন বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে টাইটেল একটু ভিন্নভাবে নির্বাচন করা উচিৎ যাতে করে কারো সাথে মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা এড়ানো যায়।

১০.টাইটেল এ সাংকেতিক চিহ্নসমূহ ব্যবহার না করাই শ্রেয় তবুও নিতান্তই প্রয়োজনে দেখতে খারাপ যাতে না লাগে এমন চিহ্ন দেয়া যেতে পারে।

এই ছিল মোটামটি দশটি টিপস যা ভালো টাইটেল নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও হয়তো সাহায্য করতে পারে। আপনার কাছেও যদি এমন কোন টিপস থাকে বা কোন উপদেশ থাকে তবে নিঃসঙ্কোচে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

আরিফুল ইসলাম পলাশ
 

বর্তমানে ঢাকার এক স্বনামধন্য কলেজে অধ্যয়নরত। লেখালেখির ঝোক ছোটবেলা থেকেই। ব্লগিং এ হাতেখড়ি সেই সপ্তম শ্রেণীতে। তখন ঠিকমতো টাইপ করতে পারতাম না, খুব কষ্ট হতো লিখতে। ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। এখন কিবোর্ড চলে বুলেটের মতো। তাই ইচ্ছা আছে বাংলায় তথ্যসমৃদ্ধ ইন্টারনেট দেখার। সেই ভেবেই পিপীলিকাতে লেখা। :) ফেসবুকে আমি

চুলের সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন মাথায় নতুন চুল গজানোর উপায়