2

নতুনদের জন্য লিনাক্স নিয়ে কিছু কথা

লিনাক্স! এক অজানা ( যদিও বর্তমানে অনেক বেশী পরিচিতর মধ্যেও পড়ে 😛 ) অদ্ভুত এক নাম! বেশ কিছু মানুষের কাছে এটা একটা ভীতিকর জিনিস, আবার কিছু মানুষের মানুষের কৌতুহলের উদ্রেক ঘটায় এই জিনিস।
বাংলাদেশে বর্তমানে কম্পিউটার ব্যবহারকারী অনেক রয়েছে, কিন্তু তাদের বেশীরভাগই অনেকটা অজ্ঞ; আমি নিজেও বিজ্ঞ নই। লিনাক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে বেশ বেড়েছে কিন্তু এখনো অনেক মানুষ আছে যারা জানেনই না উইন্ডোজ ছাড়া কম্পিউটার চালানো যায়। তাদের মধ্যে যারা একটু টিপে টিপে মনে করেন বেশী অভিজ্ঞতা অর্জন করে ফেলেছেন তারা কারো কম্পিউটারে লিনাক্স দেখলে জিজ্ঞেস করে বসেন এটা কোন উইন্ডোজ(!) 🙄 । আবার অনেকের হালকা পাতলা ধারণা রয়েছে তারা মনে করেন লিনাক্স ক্ষতিকর কোনো কিছু অথবা এটা সার্ভার বা উঁচু স্তরের প্রোগ্রামিং অথবা হ্যাকিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়!
আবার কিছু মানুষ অনেক কৌতুহল নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে কিন্তু তেমন সুযোগ না থাকায় ভালোভাবে জানা হয় না। এই লেখায় লিনাক্স নিয়ে সচরাচর কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে।

Tux

লিনাক্সের অফিসিয়াল মাসকট (টাক্স)

লিনাক্সের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

লিনাক্সের জনকের নাম লিনাস টরভাল্ডস। ১৯৯১ সালে লিনাস ছিলেন হেলসিংকি ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, তখন আইবিএমের ইন্টেল ৩৮৬ প্রসেসরের একটা পার্সোনাল কম্পিউটার কিনেন। ঐ প্রসেসরটি ছিলো তৎকালীন অন্যান্য প্রসেসরের তুলনায় অত্যাধিক উন্নত। সেসময় আইবিএমের সাথে পাওয়া যেত এমএডস অপারেটিং সিস্টেম; এমএডস অপারেটিং সিস্টেমের ইন্টেল ৩৮৬ প্রসেসরকে পুরোপুরিভাবে ব্যবহার ক্ষমতা ছিলো না। সে ভার্সিটিতে ইউনিক্স ব্যবহার করে অভ্যস্ত ছিলো কিন্তু নিজের পিসিতে ইউনিক্স পাওয়ার চিন্তা ছিলো তার কাছে আকাশ-কুসুম। কারণ ইউনিক্সের দাম ছিলো ৫০০০ মার্কিন ডলার! 😯

লিনাস তখন ডাচ প্রফেসর অ্যান্ড্রু এস. টানেনবমের মিনিক্স নিয়ে পড়লেন, মিনিক্সের ব্যাপারে সোজা কথায় বলা যায় মিনিক্স ছিলো ইউনিক্সের ছোটখাটো ক্লোন, তবে পুরোপুরি ক্লোন না। মিনিক্সের কোড ছিলো আংশিক উন্মুক্ত, টানেনবমের লেখা “Operating Systems : Design and Implementation” বইটা কিনলেই সাথে মিনিক্সের ১২০০০ লাইনের কোডটা পেত। লিনাস এটা কিনেন এবং গুতাগুতি করতে গিয়ে টের পান যে এটাও তার চাহিদা পূরণের উপযুক্ত না। 🙁

তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে নিজেই একেবারে শুন্য থেকে মিনিক্স এবং ইউনিক্সের আদলে একটি অপারেটিং সিস্টেম বানাবেন। সাহায্য নেন রিচার্ড স্টলম্যানের GNU-র, যার চিন্তাধারা ছিলো উন্মুক্ত সফটওয়্যারের। প্রথমে তার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাই অনেক হাসাহাসি করেছিলো। তিনি নিজেও ভাবেন নি যে তার শখের বশে বানানো এই অপারেটিং সিস্টেম পৃথিবীতে বিশাল পরিবর্তন আনবে!

তার ইচ্ছা ছিলো তার অপারেটিং সিস্টেমের নাম হবে ‘ফ্রিক্স (FREAKS)’ যেটা কিনা ‘Free’, ‘Freak’ আর ‘Unix’ শব্দত্রয়ের মিলিত রূপ। কিন্তু তার বন্ধু, সহকর্মী ও হেলসিংকি ইউনিভার্সিটির এফটিপি সার্ভারের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অ্যারি লেম্‍‍কের নামটি পছন্দ হয় নি। তার উপদেশানুযায়ী তার ওএসের সোর্স কোড এফটিপিতে শেয়ার করতে যাতে করে পৃথিবীর সবাইর জন্য কোডটা উন্মুক্ত থাকে এবং যে কেউই যাতে এটাকে ব্যবহার করতে পারে। ‘Linus’s Unix’ থেকে অ্যারির মাথায় ‘Linux’ নামটা আসে এবং এই নামেই একটা ফোল্ডার সে শেয়ার করে, আর তা থেকেই লিনাক্স নামে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায় লিনাসের এই ওএস।

আসলে লিনাক্স কি?

লিনাক্স হচ্ছে মূলত একটি কার্নেল, একটি কম্পিউটারকে সচল করার জন্য নুন্যতম এবং আবশ্যিক জিনিস। কার্নেল হচ্ছে একটা কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা আপনার কম্পিউটারের বিভিন্ন সফটওয়্যারের ইনপুট ও আউটপুট রিকোয়েস্টকে পরিচালনা করে এবং সিপিইউতে সেটার ডেটা প্রসেস করার জন্য অনুবাদও করে দেয়। অর্থাৎ আপনার কমান্ডগুলো কার্নেলের মধ্য দিয়ে অনুবাদ হয়ে সিপিইউতে যাচ্ছে আবার প্রসেস শেষে আপনার কাঙ্খিত জবাব নিয়ে আপনার মনিটর অথবা অন্য কোনো আউটপুট ডিভাইসে তার আউটপুট দিচ্ছে।

কার্নেল

কার্নেলের কার্যপদ্ধতির সরল ছক

কার্নেলের সাথে আরো সফটওয়্যার, প্যাকেজ ইত্যাদি মিলে তৈরী হয় একটি অপারেটিং সিস্টেম। তা উইন্ডোজ, লিনাক্স, ওএস এক্স যাই হোক!

লিনাক্স কি একটি অপারেটিং সিস্টেম?

না। পূর্বেই এর উত্তর দেয়া হয়েছে। তাই লিনাক্স নামে কোনো অপারেটিং সিস্টেম নেই। তবে লিনাক্সের অপারেটিং সিস্টেম মানে লিনাক্সকে ভিত্তি করে অনেক অনেক ডিস্ট্রিবিউশন (সংক্ষেপে ডিস্ট্রো) আছে। সেগুলোকে আপনি অপারেটিং সিস্টেম বলতে পারেন (যদিও কিছুক্ষেত্রে তা পরিপূর্ণ না)। লিনাক্স ডিস্ট্রোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটা ওপেন সোর্স এবং এটা আপনি নিজের ব্যবহারের সুবিধা অনুযায়ী কাস্টোমাইজ করে নিতে পারেন। আপনি যদি কোডিং, প্রোগ্রামিং-এ ভালো হন, তাহলে আপনি নিজেও লিনাক্স ডিস্ট্রো বানাতেও পারবেন।

লিনাক্স কারা ব্যবহার করে?

অনেক আগে লিনাক্স ব্যবহার করাটা হয়তো সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টসাধ্য ছিলো, তবে বর্তমানে লিনাক্স সকলের ব্যবহার উপযোগী। সার্ভার থেকে পার্সোনাল কম্পিউটার সর্বক্ষেত্রেই লিনাক্স ব্যবহার করা সহজ। এমনকি যারা নতুন কম্পিউটার ব্যবহারকারী তাদেরও লিনাক্স ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা হবে না। লিনাক্সের হরেক সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক সক্রিয় লিনাক্স ফোরাম, লিনাক্স কমিউনিটি রয়েছে যারা নিত্য নতুন সমস্যার সমাধানে নিয়োজিত। আপনার প্রায় সকল সমস্যার সমাধান আপনি সেখান থেকে পাবেন। যদি না পান, তাহলে আপনার সমস্যার বিবরণ দিয়ে পোস্ট করুন, লিনাক্স দক্ষরা আপনার সমস্যার সমাধানে দ্রুত এবং সাগ্রহে এগিয়ে আসবে। এখানে উল্লেখ্য যে, বেশীর ভাগ ওয়েব সার্ভারেই সেন্ট ওএস, ডেবিয়ান, জেন্টু বা অন্য কোনো লিনাক্স ডিস্ট্রো ইনস্টল করা থাকে। এমনকি আমাদের নিত্য ব্যবহারকৃত ইন্টারনেট জায়ান্ট, সার্চ ইঞ্জিন গুগলও নিজেদের কাস্টোমাইজ করা উবুন্টু ব্যবহার করে, যার নাম তারা দিয়েছে “গুবুন্টু (Goobuntu)“!
প্রায় প্রত্যেকটা লিনাক্স ডিস্ট্রোরই কিছু টার্গেটেড ক্লায়েন্ট থাকে, কারণ সব লিনাক্স ডিস্ট্রোই কাজানুযায়ী কাস্টোমাইজ করা হয়ে থাকে। যেমন রেড হ্যাট লিনাক্স সাধারণত বিভিন্ন এন্টারপ্রাইজের জন্য বানানো হয়ে থাকে। তেমন হ্যাকিং থেকে শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটা কার্যক্ষেত্রের জন্যই আলাদা ডিস্ট্রো বানানো হয়ে থাকে।

ডিস্ট্রো-ফাইট

অসংখ্য লিনাক্স ডিস্ট্রো থাকায় লিনাক্সে নতুনদের জন্য ডিস্ট্রো পছন্দ করা বা কোনটা দিয়ে শুরু করবো সেটা নিয়ে একটু দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েন। আর ডিস্ট্রো-ফাইট তাদেরকে অনেকসময় আরো কনফিউজ করে দেয়। লিনাক্স ব্যবহারকারীরা সাধারণত নিজের ব্যবহারের ডিস্ট্রোর গুণগান একটু বেশী করে এবং অন্য ডিস্ট্রোকে তেমন পাত্তা দেয় না। এটা সবারই ব্যক্তিগত অভিমত। একটু আগেই বলা হয়েছে প্রায় সব লিনাক্স ডিস্ট্রোই নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী কাস্টোমাইজ করা থাকে, তাই প্রতিটা ডিস্ট্রোরই কিছু সবল দিকের সাথে কিছু দুর্বল দিকও থাকে। আপনার কাজ যদি হয় পেনেট্রেশন টেস্টিং অথচ ব্যবহার করবেন জরিন ওএস(!) তাহলে হবে না; এমন হলে কোনো লিনাক্স ডিস্ট্রোই আপনার কাছে ভালো হতে পারবে না। তাই এক্ষেত্রে আপনার উচিত অপরের এবং নিজের প্রয়োজন বুঝে চিন্তা করা ও সিদ্ধান্ত নেয়া।

নতুনদের জন্য লিনাক্স নিয়ে কিছু কথা

কোন ডিস্ট্রো আপনার জন্য?

আপনি যদি নতুন কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা উইন্ডোজ/ম্যাক থেকে প্রথম লিনাক্স ব্যবহার করতে আসেন, তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো ডিস্ট্রো হচ্ছে উবুন্টু অথবা লিনাক্স মিন্ট বা লিনাক্স ডিপিন। এখানে উল্লেখ্য উবুন্টু হচ্ছে ডেবিয়ান বেসড ডিস্ট্রো আর মিন্ট ও ডিপিন হচ্ছে উবুন্টু বেসড। মানে ডেবিয়ান হচ্ছে এখানে মূল ডিস্ট্রো, ডেবিয়ানকে ক্যানোনিকাল কিছু কাস্টোমাইজ করে উবুন্টু বানিয়েছে এবং উবুন্টুকে কিছু কাস্টোমাইজ করে মিন্ট এবং ডিপিন বানানো হয়েছে। এখানে আপনাকে তাহলে কেন মূল ডিস্ট্রো রেখে তার পরিবর্তিত ডিস্ট্রো ব্যবহার করার জন্য বলছি? কারণ মূল ডিস্ট্রোকে কিছু পরিবর্তন এবং পরিবর্ধন করেই ডেরিভেটিভ ডিস্ট্রোগুলো বানানো হয়ে থাকে যাতে ব্যবহারকারীদের কাছে সহজ এবং বেশী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এবং উপরে বলাও আছে যে প্রত্যেকটা ডিস্ট্রোরই কিছু টার্গেটেড ইউজার থাকে। এখানে উবুন্টু বা মিন্ট সর্বসাধারণের কথা ভেবে বানানো! আর তাছারাও এতে আপনি মূল ডিস্ট্রো থেকে সুবিধা কম বৈ বেশীই পাবেন। ডেবিয়ান বেস ছাড়া নতুন ব্যবহারকারী হিসেবে আপনি ওপেনসুজ ব্যবহার করতে পারেন, এটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট বা মূল ডিস্ট্রো (ডেবিয়ানের মত)। এছাড়াও আপনি ফেডোরা, জরিন, নেটরানার, ইলিমেন্টারি  ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

তবে অন্য অপারেটিং সিস্টেম থেকে লিনাক্সে একেবারেই প্রথম সুইচ করলে আমি ডিপিন/মিন্টকে বেশী প্রাধান্য আর যদি আপনি লিনাক্সের সাথে একটু ভালোভাবে পরিচিত হতে চাইলে আমি উবুন্টু ব্যবহার করার পরামর্শ দিবো। এছাড়া ওপেনসুজ-ও একটা ভালো পছন্দ।

ডিপিনের সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট হচ্ছে মাল্টিমিডিয়া কোডেক বিল্ট-ইন, মিন্টেও তাই (তবে কোডেক ছাড়া মিন্টও আছে)। কোডেক না থাকলে আপনি অডিও, ভিডিও ফাইল প্লে করতে পারবেন না। উবুন্টুতে প্রথমে দেয়া থাকে না, তবে ইনস্টল করা খুবই সহজ, কিছু সময়ের ব্যাপার মাত্র। ওপেসুজেও দেয়া থাকে।

কেন লিনাক্স ব্যবহার করবেন?

যদি আপনার কম্পিউটার পুরোনো হয় অর্থাৎ লো কনফিগারেশনের হয়, তাহলে লিনাক্স আপনার জন্য বলতে গেলে অপরিহার্য একটি অপারেটিং সিস্টেম। কারণ উইন্ডোজের নতুন সংস্করণগুলো শান্তিমত চালানোর জন্য মোটামুটি ভালো হার্ডওয়্যারের দরকার পড়ে। কিন্তু লিনাক্স আপনাকে খুব লো-কনফিগের পিসিতেও যথেষ্ট ভালো সাপোর্ট দিবে।

লিনাক্সের বেশীর ভাগ সফটওয়্যার/প্যাকেজই ওপেন সোর্স এবং ফ্রি; কিছুসংখ্যক ক্লোজড সোর্স এবং পেইড প্যাকেজও আছে। সেক্ষেত্রে আপনার দরকারী সফটওয়্যার ক্র্যাক করার ঝামেলা তেমন পোহাতে হবে না কারণ প্রায় সব সফটওয়্যারই আপনি ফ্রি-তেই পাবেন। সফটওয়্যারের ডেভেলপে আপনিও ইচ্ছা করলে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

লিনাক্স চালাতে আপনার অ্যান্টি-ভাইরাসেরও দরকার পড়বে না বলা যায়। কারণ লিনাক্সের জন্য তেমন ক্ষতিকর ভাইরাস নেই। সেক্ষেত্রে আপনার রিসোর্স হাংরি অ্যান্টি-ভাইরাস চালানোর তেমন দরকারও নেই, যা আপনার পিসিকে আরো দ্রুত চলতে সাহায্য করবে।

লিনাক্স ব্যবহার করলে আপনার পিসি বারবার রিফ্রেশ করতে হবে না কারণ এটি সবসময়ই আপনার প্রসেস ও ফাইল ইনডেক্স করতে থাকে, যার কারণে কাজ হয় আরো দ্রুত। আপনি কোডিং, ডেভেলপিং ইত্যাদি কাজ লিনাক্সে বেশ শান্তিতে করতে পারবেন। আবার সমস্যা সমাধানে অ্যাক্টিভ ফোরাম তো আছেই।

তবে আপনি যদি হার্ডকোর গেমার হন বা ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হন, তাহলে আপনার উইন্ডোজে বা ম্যাকে থাকাই ভালো। যদিও লিনাক্স গেমের জন্য স্টিম সাপোর্ট করে এবং গ্রাফিক্সের জন্য মোটামুটি ভালো সফটওয়্যারও আছে লিনাক্সে, তবুও এক্ষেত্রে উইন্ডোজ এগিয়ে থাকবে।

নতুনদের জন্য লিনাক্স নিয়ে কিছু কথা

সর্বোপরি, লিনাক্স ব্যবহারে আপনি শান্তি, নিরাপত্তা, স্বাধীনতা বেশ ভালোভাবেই উপভোগ করতে পারবেন।

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

আসাদুজ্জামান নূর অন্তর
 

"আসাদুজ্জামান নূর" শব্দ দু'টোর আভিধানিক অর্থ দাঁড়ায় "কালের সিংহ মানে সময়ের বীর, আলো/ আলোপ্রাপ্ত/ আলোকিত বা আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়াতের আলোয় আলোকিত"... জানি না আমি তেমন কিনা.. আশায় আছি, এক প্রানবন্ত ভবিষ্যতের.. ফেসবুকে, টুইটারে, গুগল প্লাসে আমি

চুলের সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন মাথায় নতুন চুল গজানোর উপায়