বাংলাদেশ ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ মামলার রায় !

মায়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা জয়ের পর বাংলাদেশ ভারতের সাথেও অভাবনীয় সমুদ্রসীমা জয় করে নিয়েছে ! এর পক্ষে-বিপক্ষে অনেক মতামত থাকলেও আপাত দৃষ্টিতে লাভ বাংলাদেশেরই হয়েছে। ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডস এর দি হ্যাগ শহরে অবস্থিত পার্মানেন্ট কোর্ট অব আরবিট্রেশন (স্থায়ী সালিশী আদালত) কর্তৃক বাংলাদেশ ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ মামলার রায় দেয়া হয়। ৭ জুলাই রায় দেয়া হলেও জনসম্মুখে রায়টি প্রকাশ করা হয় ৮ জুলাই, ২০১৪ সালে।

সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ মামলাটি বাংলাদেশ পার্মানেন্ট কোর্ট অব আরবিট্রেশনে করেছিলো ৮ অক্টোবর ২০০৯ সালে। এতো আগে মামলা করা হলেও দীর্ঘদিন পরে দেয়া হয়েছে এই মামলার রায়। এতো বড় একটা প্রাপ্তির জন্যে অবশ্য এই কয়েকবছর খুব একটা দীর্ঘ সময় না :mrgreen:

ভারতের সাথে সমুদ্রসীমায় বিরোধপূর্ণ এলাকা ছিল ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটার। যার মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার সীমা ! আর ভারত পেয়েছে ৬১৩৫ বর্গ কিলোমিটার ! অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমার সিংহভাগই অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জনের মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্জনটি বাংলাদেশ করেছে বিরোধপূর্ণ ১০ টি খনিজ ব্লকের সবগুলোর উপরই অধিকার লাভ করার মাধ্যমে ! অর্থাৎ ঐ দশটি খনিজ ব্লকের উপর বর্তমানে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অধিকার। রায়ের পূর্বে এই খনিজ ব্লকগুলো নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধ চলছিলো। কিন্তু রায় হয়ে যাওয়ার এখন ভারত সম্পূর্ণরূপে এই খনিজ ব্লকগুলোর অধিকার হারায়।

এই রায়ের ফলে বাংলাদেশের বিশাল অর্জন হলেও বাংলাদেশ হারিয়েছে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের মালিকানা।

সব মিলিয়ে এই রায়ে বাংলাদেশের অর্জনকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

 

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

আরিফুল ইসলাম পলাশ
 

বর্তমানে ঢাকার এক স্বনামধন্য কলেজে অধ্যয়নরত। লেখালেখির ঝোক ছোটবেলা থেকেই। ব্লগিং এ হাতেখড়ি সেই সপ্তম শ্রেণীতে। তখন ঠিকমতো টাইপ করতে পারতাম না, খুব কষ্ট হতো লিখতে। ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। এখন কিবোর্ড চলে বুলেটের মতো। তাই ইচ্ছা আছে বাংলায় তথ্যসমৃদ্ধ ইন্টারনেট দেখার। সেই ভেবেই পিপীলিকাতে লেখা। :) ফেসবুকে আমি

চুলের সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন মাথায় নতুন চুল গজানোর উপায়