মিরপুরের বেনারসি কিংবা সোঁনারগায়ের জামদানি – শাড়ী আলাপন

ঘটনাঃ১

কাল রাত থেকে মেয়েটা কাঁদছে… বড় বোন ঝুমা নববর্ষ উপলক্ষে একটা হলুদ শাড়ী কিনে আনল গতকাল। তাই এখন ছোট্ট মেয়ে রুমার ও শাড়ী পড়া চাই । বাবা কান্নাকাটি শুনে ঘর থেকে বের হয়েছেন, এখন ফেরেন নি… মায়ের হয়েছে বিপদ কি করবেন… হটাৎ কলিং বেল এর শব্দ… “বাবামণি, বাবামনি আসছে”_ বলেই রুমার ছুট… বাবা এসেছেন একটা লাল টুকটুকে শাড়ী নিয়ে… তার লাল পরী টাকে শাড়ী পরিয়ে কোলে নিয়ে ঘুরলেন তিনি সারা শহর নববর্ষের প্রথম দিনে ।

ঘটনাঃ২

আলমারি গুছাচ্ছিল রাতে ব্রতী, হটাৎ মায়ের আসমানী জামদানি রঙের শাড়ীটা চোখে পরল… এই শাড়ীটা পরেই মা শেষবারের মত তাকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন, শিশুপার্কে… কত মজাই না হয়েছিল সেদিন।। আজ এতদিন বাদে, শাড়ী দেখে টপ করে একফোঁটা জল পড়ল শাড়ীতে… শাড়ীটা শুকে শুকে গন্ধ নেয় সে অনেকক্ষন…

উপরে উল্লেখিত ঘটনা হতেই প্রতিয়মান যে “শাড়ী” বাঙ্গালীর জীবনে সুখে দুঃখের অন্যত্ম সঙ্গী এবং এই লেখার বিষয়বস্তু “শাড়ী” নারীর শাশ্বত সৌন্দর্য যে পোশাকটিতে ফুটে ওঠে তা হল শাড়ী। যে শাড়ী বাঙ্গালী নারীর সুখে দুঃখে, স্মৃতিতে বর্তমানে, সৌন্দর্যে উৎসবে মিশে আছে ওতপ্রোত ভাবে তার সম্পর্কে কতটুকুইবা জানি আমরা। কিন্তু অত্যন্ত চমকপ্রদ এই শাড়ীর ইতিহাস, বিকাশ। শাড়ীর অজস্র রকমফের যেমন রয়েছে, তেমনি পরিধানের ক্ষেত্রেও এই বৈচিত্র কম নয়। আর এই শাড়ী কেনেকাটা, এর মূল্যমান, পরিষ্কার যত্নও কম ঝক্কির ব্যাপার না, আমরা সচেতনও না এই ব্যাপারে।। এই লেখা হতে হয়তো কিছুটা ধারনা করে নিতে পারবেন “শাড়ী” র খুটিনাটি সম্পর্কে….

শাড়ি

শাড়ীর ইতিহাস

শাড়ী নিয়ে জানার প্রথমেই জানা দরকার এই শব্দটির উৎপত্তি সম্পর্কে… “শাড়ী” শব্দটি এসেছে সংস্কৃত “শাটি” হতে যার অর্থ “এক ফালি কাপড়” পরবর্তীতে এটি প্রাকৃত এর বিবর্তনের কারণে “শাডি” বা “সাত্তিকা” শব্দ হতে শাড়ী শব্দে পরিণত হয়েছে… শাড়ীর উৎপত্তি জানতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে সূদুর অতীতে, ২৮০০-১৮০০ খ্রিষ্টপূর্ব সময়ে, সভ্যতার আরম্ভে… ভারতবর্ষীয় উপমহাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের সিন্ধু সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের মাঝে সেইসময়ে শাড়ীর প্রচলন খুঁজে পাওয়া গিয়েছে… সিন্ধু সভ্যতার ভাস্কর্যে পুরোহিতদের শাড়ীকেই ধুতির মতো পরিহিত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং মনে করা হয় ধুতিই শাড়ী প্রচলনের ভিত্তি…অন্য আরেকটি মতবাদে বলা হয়ে থাকে, ভারতবর্ষের কেরালা প্রদেশে ব্যবহৃত দুই প্রস্থের পোশাক “মান্দাম নারিয়াথাম” হতে শাড়ীর উৎপত্তি… চোলি, উত্তরীয়া, স্তান্নাপাতা, কুরপুশিকা প্রভৃতি পোশাক ব্লাউজের মত করে পরা হত অনেকস্থানে, কিন্তু অধিকাংশ স্থানেই ব্লাউজের প্রচলন ছিল না… পরবর্তীতে ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ব্লাউজের ব্যবহার শুরু হয় এবং আধুনিক জ্ঞানদানন্দিনী দেবী ভারতে ব্লাউজের প্রথা চালু করেন… এবং শাড়ী পরার আরেকটি অনুষঙ্গ পেটিকোটের প্রচলন শুরু হয় মুসলমানদের আগমনের সাথে, তারাই ঘাগরা/ পেটিকোট পোশাকের ব্যবহার শুরু করে ভারতবর্ষে এবং শাড়ীতে সেলাইয়ের ব্যপারটি তারাই আরম্ভ করেন…পূর্বে কাপড়ে সেলাইয়ের প্রথাতো ছিলই না বরং কাপড়ে সেলাই কে অপবিত্র মনে করা হত… এভাবেই বিভিন্ন পথ অতিক্রম করে আজকের শাড়ী তার নিজ রূপ ধারন করেছে…

শাড়ীর রকমফেরঃ

http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/03/শাড়ির-রকমফের.jpg?resize=873%2C526

“শাড়ী” শব্দটিতে বার হাতের একপ্রস্থ কাপড়কে বুঝলেও আপনি শাড়ীর বিভিন্নতা দেখলে হতবাক হতে বাধ্য…আপনি অসংখ্য ধরনের,মানের শাড়ী যেমন বাজারে পাবেন তেমনি অসংখ্য শাড়ীই কালের গর্ভে হারিয়ে গিয়েছে…উপমহাদেশের মসলিন কাপড়/শাড়ীর কথা কে না জানে, একটি আংটির মাঝে প্রবেশ করানো যেত যে শাড়ী, যা হারিয়ে গিয়েছে ব্রিটিশ আগ্রাসনে, সেই মসলিনই পাওয়া যেত এগার ধরনের!!!বাঙালি নারীরা সাধারন্ত সুতি শাড়ীকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।তবে জামদানি, ঢাকাই বেনারসি, রাজশাহী সিল্ক,রেশমি শাড়ী, তসর সিল্ক,টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ী,কাতান শাড়ী, পাবনার শাড়ী খুব জনপ্রিয়…জামদানি শাড়ীর বিভিন্নতা একে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতি এনে দিয়েছে…শাড়ী শুধুমাত্র বাংলাদেশের পোশাক নয়, এটি উপমহাদেশ সহ এশিয়া মহাদেশের একটি জনপ্রিয় পোশাক যার প্রমাণ নেপালি নারীদের পোশাক পরিচ্ছদ। নেপালি নারীরাও বিভিন্ন ধরনের শাড়ী পরে, এর মাঝে “হাকুপাতাসি” উল্লেখযোগ্য। এটি লাল পাড়ের কাল শাড়ী।ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় বাঁধনি,বেনারসি,তাঁত,জামদানি,শালু পরিচিত। দক্ষিনাঞ্চলীয় গাড়োয়ান, কাঞ্চিপুরম, মাইসোর,বলরামপুর ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য…পূর্বাঞ্চলে শাড়ী কাথা, বালুচরি ব্যবহার করা হয়।মধ্যাঞ্চলীয় শাড়ীর মাঝে চান্দেরি পাইথানি উল্লেখযোগ্য। স্রীলংকায় প্রধানত ভারতীয় শাড়ী পরা হয়ে থাকে যা সাধারন ভাবে কানাড়িয় বা ওয়াসারিয়া নামে পরিচিত।এছাড়া ক্যান্ডির পাহাড়ি এলাকায় ক্যান্ডির ধরন প্রচলিত।

শাড়ী পরার কৌশলঃ+

শাড়ি পড়া

প্রায় ৮০ ভাবে আপনি একটি শাড়ীকে পরতে পারেন!!!!!!! নিভি, অরিয়া, বাঙ্গালি,কদাগু, দ্রাভিদিয়ান, গুজরাটি, মাদিসার, গোব্বি,মালায়লি, কুনবাই প্রভৃতি বিভিন্নভাবে শাড়ী পরার রীতি প্রচলিত রয়েছে… যদিও বিমানবালাদের আধুনিক শাড়ী পরার ধরনটি আন্তর্জাতিক ভাবে শাড়ীর প্রসার ঘটিয়েছে… আমাদের দেশে শাড়ী পরার ধরনে ঠাকুরবাড়ীর অবদান অনস্বীকার্য… ঠাকুরবাড়ির শাড়ীর বিভিন্ন ঢং এখনও সমাজে সমাদৃত.. শর্মিলা ঠাকুরের বিয়ের শাড়ী পরার ধরন আজো মানুষের মনে পরে যায়…যাই হোক, বর্তমানে শাড়ী পরার সবচেয়ে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী শাড়ীটি কোমড় থেকে পরে আঁচলটি আটকিয়ে নেয়া হয়, কুঁচি থাকে ৭-৮ টা… আঁচল ছেড়েও পরা হয়ে থাকে…এক প্যাঁচেও শাড়ী পরা হয়ে থাকে…

শাড়ীর দরদামঃ

এবার আসি, শাড়ীর দরদাম এ… শাড়ী কেনাকাটায় দাম সম্পর্কে ধারনা থাকা অবশ্যই দরকার..যেমন মসলিন বেনারসি ১০০০০-১৫০০০ টাকা,নেট জুট ৫০০০-৬০০০ টাকা,কাতান বেনারসি ১৮০০-২৫০০ টাকা,মসলিন ২৫০০০ টাকা, পিয়ান ও খাদি বেনারসি ৮০০০ টাকা, বিয়ের জন্য দোপাট্টা সহ জমকালো শাড়ীর দাম পড়বে ১৬০০০-২০০০০ টাকা।

মনে মন্টুর শাড়ী দেশের বিখ্যাত শাড়ীর দোকান,এখানে সুতি শেড-৬৬০, সুতি বুটিক-৪৫০, সুতির বালুচরি ১৩৫০-২৭০০ টাকা,রেডি কোষা- ৬৫০০ টাকা, নেট জুট সিল্ক-৬৮৫০ টাকা, সিল্ক কাথা স্ট্রিজ-৭৮৫০ টাকা, জুট সিল্ক স্ট্রাইপ-২৬৫০ টাকা, সফট সিল্ক- ৩৬৫০, জুট হালফ সিল্ক-২৫৫০, টিস্যু জুট সিল্ক জামদানি-৩৫৫০ গ্যাস শেড জামদানি-২৫৫০,ঢাকাই জামদানি- ৪৫০০ থেকে ৩৫ হাজার, টাঙ্গাইল সুতি জামদানি-১১৫০ থেকে ১৭৫০০ টাকা। এসব শাড়ী পাওয়া যাবে টাঙ্গাইলের মনে মন্টুর শাড়ীর দোকানে।

জামদানি তৈরী

জামদানি শাড়ী তৈরীর প্রক্রিয়া

টাঙ্গাইলের দিলীপ বসাকের শাড়ীর আয়োজনে সুতি কুচি-৩৫০ থেকে ৮০০, সুতি বুটিক-৪০০ থেকে ১০০০,সুতি জামদানি সুতি কাজ ১০০০-৩০০০, সুতি জামদানি জরি কাজ ১৪০০-৪০০০, সুতি শেড ৪৫০-১০০০, হাফ সিল্ক ৭০০-১৮০০, ফুল সিল্ক ৪০০০-৬০০০, সুতি ব্লক কারচুপি ৭০০-১৫০০, হাফ সিল্ক ব্লক কারচুপি ১২০০-২২০০, তোষর সিল্ক ব্লক কারচুপি ১২০০-২৫০০ টাকার মধ্যে পাবেন আপনি। বসাকের শাড়ি পাওয়া যাবে তাঁর টাঙ্গাইলের পাথরাইলের শোরুমে। এ ছাড়াও ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন মার্কেটে এই শাড়ি পাওয়া যাবে।…একটু সিম্পল শাড়ি কিনতে চাইলে কিনতে পারেন রেশম সিল্কের কোটা। পাড় লাগানো, মাঝে নানা ধরনের প্রিন্ট করা লো কিন্তু বেশ অন্য রকম। কুচি আর আঁচলে আলাদা ডিজাইন করা। দাম ১২০০-৩৫০০ টাকার মধ্যে।

আরো রয়েছে ক্রেপ সিল্ক, রাজকুট সিল্ক, সম্বলপুরী, সিল্ক, চোষা, যা দিয়েও আপনি উৎসবে মাততে পারেন অনায়াসেই। দাম পড়বে স্থান ও ডিজাইন ভেদে ৭০০ থেকে ৮০০০ টাকা। এই শাড়িগুলো পাওয়া যাবে মৌচাক,সিল্ক সেন্টার,ধানমন্ন্ডি হকারস, টুইন টাওয়ার সহ রাজধানীর যেকোনো মার্কেটে। তবে কেনার সময় শুধু ডিজাইন নয়, লক্ষ করবেন এর মানও। সেলাই এবং কাজের মান লক্ষ করে কেনাকাটা করুন, সুন্দর হোক আপনার কেনাকাটার সময়…

শাড়ীর যত্নঃ

“শাড়ী পড়ব, ওরে বাবা!!! এত ঝক্কি কে পোহাবে…” এমনটা বলেন অনেকেই।। হ্যা, শাড়ীর যত্নের প্রয়োজন রয়েছে কিন্তু তা হয়তো এতটা কষ্টকর হবে না যখন আপনি দেখবেন আপনার ১৫ বছরের প্রিয় কাতান শাড়ীটি আজও জমকালো, আজো আপনাকে করে তুলছে অনন্য… তাই শাড়ীর যত্ন নিবেন আপনি নিজেই, এবং এর ব্যবহারে হবেন সতর্ক। শাড়ীর যত্নে নিচের সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে…
১)কাপড় রাখার স্থানটি শুকনো হওয়া আবশ্যক,নতুবা ছত্রাক সংক্রমনের ভয় থাকে।
২)ব্যবহৃত শাড়ী ৩ মাস অন্তর ও অব্যবহৃত শাড়ী ৬ মাস অন্তর বের করে ধুতে হবে।
৩)শাড়ীর ভাঁজে ন্যাপথলিন,কালোজিরা,নিমপাতা ইত্যাদি দিয়ে রাখুন, এতে পোকায় কাটবে না।
৪)আলমারি বা ট্রাংক যেখানেই শাড়ী রাখুন না কেন, তা যেন ফুটো না হয় নতুবা তেলাপোকা/ইদুরে কাটতে পারে শাড়ী।
৫)কাঠের আলমারি তে শাড়ী রাখলে তা মাঝে খেয়াল করতে হবে আলমারি ঘুণে ধরেছে কিনা, নতুবা শাড়ী কেটে যেতে পারে।
৬)স্টিলের আলমারিতে যেন মরিচা না পড়ে তাতে শাড়ী নষ্ট হয়।
৭)শাড়ী সঠিক নিয়মে ধুবেন।
৮)বাইরে থেকে এসে কিছুক্ষন বাতাসে রেখে শাড়ীর ঘাম শুকিয়ে নিন, নতুবা দাগ পড়তে পারে।
৯)শাড়ী রাখার আলমারি শাড়ী রাখার পূর্বে অবশ্যই ঝেড়ে মুছে নিবেন।
১০)মসলিন বা কাতান শাড়ীর ক্ষেত্রে অবশ্যই সাদা কাগজ ব্যবহার করবেন এবং ড্রাই ওয়াস করানোই ভালো।
১১)সূতি শাড়ী ইস্ত্রি করে কিছুক্ষন বাতাসে রেখে তুলে রাখুন, অনেকদিনের জন্য রাখতে হলে মার এড়িয়ে যান।
১২)জর্জেট ও শিফন শাড়ী ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন, চিপবেন না, ও শাড়ী রোল করে রাখুন, এবং অবশ্যই এই শাড়ীগুলোতে নিম পাতা বা কালো জিরা দিয়ে রাখুন।

এভাবে শাড়ীর যত্ন আপনাকে দিতে পারে অনেক দিনের পুরোনো কথা মনে করার সুযোগ আপনার সুন্দর শাড়ীটিকে জড়িয়ে।।
এই তো শেষ হয়ে আসলো শাড়ীর যত কথা…বর্তমানে শাড়ীর ব্যবহার হয়তো কমে আসছে, কিন্তু এটি অস্বীকারের কোনো উপায় নেই শাড়ীই বাঙ্গালী নারীর সৌন্দর্য, বার হাতের শাড়ীটিই বাঙ্গালী নারীকে অনন্য করেছে সবার থেকে উৎসবে আনন্দে, সারা বিশ্বে।।

লেখাটি শেষ করছি সুবোধ সরকারের আবেগী কবিতা “শাড়ী”র কিছু পংক্তিমালা দিয়ে…

“বিয়েতে একান্নটা শাড়ি পেয়েছিল মেয়েটা
অষ্টমঙ্গলায় ফিরে এসে আরও ছটা
একদিন দুপুরে শাশুড়ি ঘুমিয়ে,সমস্ত শাড়ি বের করে
ছতলার বারান্দা থেকে উড়িয়ে দিল নিচের পৃথিবীতে।
শাশুড়ি পড়িয়ে দিয়েছেন তাকে সাদা থান
উনিশ বছরের একটা মেয়ে সে একা।”

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন :)

Comments

  1. বাহ মিরপুরে থাকি অথচ মিরপুরের শাড়ি ব্যাপারে কিছু জানাতাম না……
    ভাল লাগল লেখাটা। ব্লগিং এ স্বাগতম। আশা করি আরও ভাল লেখা পাব পরর্বতী সময়।.

  2. মাখন says:

    আমার সেকশনের বাইরের পোস্ট :P। তবু স্বাগতম জানানোর জন্য আসলাম। আপনার হাতের লেখা ভালো, চালিয়ে যান।

    • সঞ্জিতা হালদার says:

      স্বাগতম জানানোর জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

কেমন লাগলো পোস্ট? আপনার মতামত জানান

চুলের সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন মাথায় নতুন চুল গজানোর উপায়