<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>পিপীলিকা.Com</title>
	<atom:link href="http://pplika.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://pplika.com</link>
	<description>বাংলায় তথ্যসমৃদ্ধ ইন্টারনেট গড়ার প্রত্যয়ে...</description>
	<lastBuildDate>Tue, 21 May 2013 15:31:51 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=498</generator>
		<item>
		<title>ইন্টারনাল লিংক কি এবং কেন জরুরী?</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%95/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%95/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 21 May 2013 15:25:50 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আরিফুল ইসলাম পলাশ</dc:creator>
				<category><![CDATA[সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনাল লিংক]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1999</guid>
		<description><![CDATA[<p>সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে পূর্বের লেখাটি লেখার পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আজ আবার লিখতে শুরু করলাম। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন টিউটোরিয়াল এর এ পর্বে ইন্টারনাল লিংক নিয়ে আলোচনা করবো। সহজ-সাবলীলভাবে খানিকটা বিস্তারিত করে বলার চেষ্টা করবো। ইন্টারনাল লিংক কি? ইন্টারনাল লিংক হচ্ছে একই ওয়েবসাইট থেকে ঐ ওয়েবসাইটের অন্য কোন পেইজের লিংক দেয়া। অর্থাৎ যদি একই ডোমেইন [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%95/">ইন্টারনাল লিংক কি এবং কেন জরুরী?</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/ইনটারনাল-লিংক.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-2002" alt="ইন্টারনাল লিংক " src="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/ইনটারনাল-লিংক.jpg?resize=640%2C427" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে <a title="লেখাকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম সারিতে স্থান করিয়ে নিতে যা যা করতে হবে" href="http://pplika.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0/" target="_blank">পূর্বের লেখাটি </a>লেখার পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আজ আবার লিখতে শুরু করলাম। <a title="সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন টিউটোরিয়াল" href="http://pplika.com/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8/" target="_blank">সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন টিউটোরিয়াল</a> এর এ পর্বে ইন্টারনাল লিংক নিয়ে আলোচনা করবো। সহজ-সাবলীলভাবে খানিকটা বিস্তারিত করে বলার চেষ্টা করবো।</p>
<h3>ইন্টারনাল লিংক কি?</h3>
<p>ইন্টারনাল লিংক হচ্ছে একই ওয়েবসাইট থেকে ঐ ওয়েবসাইটের অন্য কোন পেইজের লিংক দেয়া। অর্থাৎ যদি একই ডোমেইন থেকে ঐ ডোমেইনের অন্য কোন পেইজের আর্টিকেলে বা অন্য কিছুতে লিংক দেয়া হয় তাহলে সেই লিংককে বলা হবে ইন্টারনাল লিংক এবং এই লিংক দেয়াকে বলা হবে ইন্টারনাল লিংকিং.।</p>
<p>ধরা যাক আপনি আপনার ওয়েবসাইটের কোন এক অংশে বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং পূর্বে অন্য কোন অংশে সাকিব আল হাসান কে নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। এখন ধরা যাক বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে যে আর্টিকেলটি লিখেছেন সেই আর্টিকেলে প্রসঙ্গক্রমে সাকিব আল হাসান এর নামও চলে আসলো। এখন আপনি চাচ্ছেন যে, আপনি সাকিবকে নিয়ে যে লেখাটি লিখেছেন তা যারা আগ্রহী তারা যেন সাকিবের নামের উপর খুজে নিতে পারে। তাই আপনি বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্বন্ধীয় লেখায় সাকিব আল হাসান লেখাটির উপর সাকিবের উপর লেখা আর্টিকেলের লিংক জুড়ে দিলেন। এটাকেই বলা হবে ইন্টারনাল লিংক।<span id="more-1999"></span></p>
<p>উদাহরণ হিসেবে আমি <a title="আহসান মঞ্জিল" href="http://pplika.com/%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%a4%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af/" target="_blank">আহসান মঞ্জিল</a> বিষয়ক লেখাটির লিংক দিয়ে দিলাম । &#8220;আহসান মঞ্জিল&#8221; লেখাটিতে ক্লিক করলে পিপীলিকার আহসান মঞ্জিল বিষয়ক লেখাটি ওপেন হবে। অর্থাৎ আমি পিপীলিকার একটি পেইজ থেকে পিপীলিকার অন্য একটি পেইজে লিংক দিলাম। এটাই ইন্টারনাল লিংক।</p>
<p><em>হুদাই একটু বেশি গেজালাম</em> <img src='http://i1.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_razz.gif' alt=':P' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" /> </p>
<h3>ইন্টারনাল লিংক কেন জরুরী?</h3>
<p><a href="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/গুগল-বট.png"><img class="aligncenter size-full wp-image-2001" alt="গুগল বট" src="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/গুগল-বট.png?resize=309%2C342" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>উপরের চিত্রটি ভালো করে লক্ষ্য করুন। এখানে A হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট <img src='http://i2.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_wink.gif' alt=':wink:' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" />  এবং B,C,D ও E হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ক বিভিন্ন আর্টিকেল। এখন হোম পেইজ থেকে E ও B আর্টিকেলের দিকে ইন্টারনাল লিংক আছে কিন্তু অন্য দু&#8217;টি আর্টিকেলের দিকে কোন লিংক নেই। এমতাবস্থায় <a href="http://support.google.com/webmasters/bin/answer.py?hl=en&amp;answer=70897" target="_blank">গুগল বট</a> বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিন বট যদি আপনার ওয়েবসাইট ক্রল করতে আসে, তখন শুধুমাত্র লিংক করা আর্টিকেলগুলোর দিকেই তা ক্রল করে যেতে সক্ষম হবে। কারণ সার্চ ইঞ্জিন বটগুলো লিংক কে রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করে ক্রল করে তা ইনডেক্স করে। যেহেতু C ও D এর দিকে কোন পেইজ থেকেই লিংক নেই সেহেতু সার্চ ইঞ্জিন বট এর জন্যে C ও D তে যাওয়ার জন্যে কোন রাস্তা নেই। তাই E ও B আর্টিকেলকে বট ইনডেক্স করতে পারলেও C ও D তে যেহেতু সে যেতে পারেনি তাই ইনডেক্স ও করতে পারেনি। তার মানে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে C ও D পেইজ সম্পূর্ণভাবে অদৃশ্য।</p>
<p>উপরের উদাহরণ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন বট লিংককে রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করে সেহেতু অবশ্যই তাকে সেই রাস্তা করে দিতে হবে যাতে ইনডেক্স করতে পারে। এক্ষেত্রে যদি কোন আর্টিকেলে কোথাও থেকে কোন লিংক না দেয়া থাকে তবে উক্ত আর্টিকেল যতই তথ্যসমৃদ্ধ আর উপযুক্ত হোক না কেন কখনোই সার্চ রেজাল্টে দেখা যাবেনা। কারণ তা সার্চ ইঞ্জিনের কাছে অদৃশ্য ! অর্থাৎ যদি আপনার ওয়েবসাইটে থাকা সবগুলো পেইজকেই ইনডেক্স করতে চান তাহলে অবশ্যই ভালো ইন্টারনাল লিংকিং এর ব্যবস্থা করে দিতে হবে। নয়তো সার্চ ইঞ্জিন তা খুঁজে না পেলে আপনারই ক্ষতি !</p>
<p>যারা ইন্টারনাল লিংক এর ব্যাপারে সদ্য জানতে শুরু করেছেন তাদের মনে হয়তো প্রশ্ন জাগতে পারে যে সব পেইজ থেকেই কি সব পেইজে লিংক দিতে হবে? উত্তর হচ্ছে &#8220;না&#8221; ! এমনটা করতে হবেনা। উদাহরণস্বরূপ আপনার বাসার দু&#8217;টি গেইট। আপনি যেকোনোটি দিয়ে ঢুকলেই আপনার বাসায় প্রবেশ করতে পারবেন। সেহেতু একটি দরজা থাকলেও আপনি বাসায় প্রবেশ করতে পারবেন। ঠিক একই ভাবে লিংককে যদি দরজা হিসেবে তুলনা করুন এবং আপনাকে প্রতিস্থাপিত করুন সার্চ ইঞ্জিন বট দ্বারা। আর ঘরটিকে ধরে নিন আপনার কোন এক আর্টিকেল। এখন কোন একটি লিংক ধরে ঢুকলেই কিন্তু বট আপনার আর্টিকেলে প্রবেশ করতে পারছে। অর্থাৎ দু&#8217;টি থাকলেও পারছে একটি থাকলেও পারছে। তবে এক্ষেত্রে যে লিংক আছে সেই লিংক আপনার ওয়েবসাইটের যে পেইজ থেকে এসেছে তা অন্য কোন পেইজ থেকে কিংবা হোম পেইজ থেকে লিঙ্কড থাকতে হবে।</p>
<p>বুঝতে পারছি বিষয়টা ঘোলাটে করে ফেললাম আমি, কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে করতে পারেন, সেখানে হয়তো প্রশ্ন অনুযায়ী To the point এ উত্তর করতে পারবো।</p>
<h3>আদর্শ ইন্টারনাল লিংক কেমন হবে?</h3>
<p>আদর্শ ইন্টারনাল লিংক হবে এমন যাতে একটি ওয়েবসাইটের সবগুলো পেইজই আদর্শভাবে লিঙ্কড থাকবে। নিজের ছবিটি একটি আদর্শ ইন্টারনাল লিংকিং এর উদাহরণ।</p>
<h3><a href="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/ইন্টার্নাল-লিঙ্কিং.png"><img class="aligncenter" alt="ইন্টারনাল লিঙ্কিং" src="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/ইন্টার্নাল-লিঙ্কিং.png?resize=451%2C278" data-recalc-dims="1" /></a></h3>
<h3><span style="color: #c0c0c0;">শেষ কথা</span></h3>
<p>ইন্টারনাল লিংকিং সম্পর্কে এই ছিল প্রাথমিক ধারণা । আশা করছি পরবর্তী পর্ব থাকবে ইন্টারনাল লিংক এর উপর আরো কিছু তথ্য নিয়ে এবং স্ট্র্যাটেজি নিয়ে। <img src='http://i2.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" />  আপনার ভালো লাগা মন্দ লাগা কমেন্টে তুলে ধরতে ভুলবেন না।</p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%95/">ইন্টারনাল লিংক কি এবং কেন জরুরী?</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কিত প্রাথমিক ধারণা !</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a7%80/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a7%80/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 18 May 2013 17:44:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আরিফুল ইসলাম পলাশ</dc:creator>
				<category><![CDATA[কি-কেন-কিভাবে]]></category>
		<category><![CDATA[কম্পিউটার ভাইরাস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1990</guid>
		<description><![CDATA[<p>কম্পিউটার ভাইরাস ! যারা সবে মাত্র কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে শুরু করেছে তাদের জন্যে রীতিমত ভীতিকর ব্যাপার এটা। তবে যারা দীর্ঘদিন যাবত কম্পিউটার ব্যবহার করে আসছেন তাদের জন্যে হয়তো ততোটা মাথা ব্যথার কারণ না কম্পিউটার ভাইরাস। যখন বাসায় নিজস্ব কোন কম্পিউটার ছিলোনা আমার তখনও কম্পিউটার বিষয়ে আমার আগ্রহের কমতি ছিলোনা। বেশ অনেকগুলো কম্পিউটার বিষয়ক [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a7%80/">কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কিত প্রাথমিক ধারণা !</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>কম্পিউটার ভাইরাস ! যারা সবে মাত্র কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে শুরু করেছে তাদের জন্যে রীতিমত ভীতিকর ব্যাপার এটা। তবে যারা দীর্ঘদিন যাবত কম্পিউটার ব্যবহার করে আসছেন তাদের জন্যে হয়তো ততোটা মাথা ব্যথার কারণ না কম্পিউটার ভাইরাস। যখন বাসায় নিজস্ব কোন কম্পিউটার ছিলোনা আমার তখনও কম্পিউটার বিষয়ে আমার আগ্রহের কমতি ছিলোনা। বেশ অনেকগুলো কম্পিউটার বিষয়ক ম্যাগাজিন পড়তাম। আর নানান রকম বইতো আছেই। সেগুলোর কোন একটি থেকে হয়তো কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম ধারণা পেয়েছিলাম। রীতিমত তাজ্জব বনে গিয়েছিলাম ! মানুষের ভাইরাস হয় বলে শুনেছি কিন্তু কম্পিউটারের ভাইরাস হয় কিভাবে? এতো যন্ত্র ! যন্ত্রেরও ভাইরাস !<a href="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/কম্পিউটার-ভাইরাস.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1991" alt="কম্পিউটার ভাইরাস" src="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/কম্পিউটার-ভাইরাস.jpg?resize=720%2C345" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>বেশ অনেকদিন ভেবেও কোন কূল কিনারা করতে পারিনি। বই আর ম্যাগাজিনগুলোতে ভাইরাসের কথা তাদের কাজের কথা সম্পর্কে লেখা থাকলেও আসলে যে এই ভাইরাসটা কি বা দেখতে কেমন তা দেওয়া ছিলোনা। ভাবতে লাগলাম এই ভাইরাস কি মানুষের শরীরেও কাজ করতে পারে? কম্পিউটার ভাইরাসে ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে যেহেতু তখন জেনে গিয়েছিলাম সেহেতু সেই মুহুর্তে মাথায় ঘুরছিল এতো মারাত্মক ভাইরাস যদি মানুষের দেহে কাজ করে তাহলে কি অনর্থই না ঘটবে ! মুহূর্তের মধ্যেই একটা মানুষকে অচল করে দিবে কম্পিউটারের মতো !</p>
<p><em id="__mceDel"><span id="more-1990"></span></em></p>
<p>যাইহোক, সময় যত গড়িয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ধ্যান-ধারণার ততোই পরিবর্তন হয়েছে। ধীরে ধীরে বুঝলাম কম্পিউটার ভাইরাস আসলে মানুষের শরীরে বা অন্য কোন প্রাণীর শরীরে আক্রমণ করে এমন কোন ভাইরাস না। কম্পিউটার ভাইরাস আর প্রাণীর ভাইরাসে মধ্যে যে বিস্তর পার্থক্য তা অনুধাবন করলাম। নিজের অজান্তেই অনেক হেসেছি এ নিয়ে যে এক সময় কেমন ধারণাটাই না ছিল আমার কম্পিউটার ভাইরাস নিয়ে ! আপনাদের প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কিত স্মৃতি শেয়ার করতে ভুলবেন না, কেমন ধারণা ছিল আপনার প্রথমে তাও জানাবেন কমেন্টে।</p>
<p>আলোচনার মূল অংশে চলে আসা যাক। কম্পিউটার ভাইরাস কি আর তার প্রকারভেদ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেয়ার চেষ্টা করবো। যথাসম্ভব টেকনিকাল টার্মগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে যাতে সর্বস্তরের পাঠকই বুঝে উঠতে পারেন।</p>
<h3>কম্পিউটার ভাইরাস কি?</h3>
<p>কম্পিউটার ভাইরাস প্রাণীদেহে কাজ করে এমন ভাইরাসগুলোর মতো না, অর্থাৎ জীবন্ত কিছু না। যেকোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের ক্ষতি সাধন করে তাই কম্পিউটার ভাইরাস। ধরা যাক ছোট্ট কয়েক লাইনের ব্যাচ কোড করা হলে। এর কাজ তেমন জটিল না, প্রোগ্রামে কমান্ড দেয়া থাকবে যে সে কম্পিউটারের প্রতিটি ড্রাইভে তার একটি প্রতিলিপি তৈরি করবে এবং তা রান করবে। আর এও কমান্ড দেয়া থাকবে যাতে ব্যাচ ফাইলটা যে ড্রাইভে আছে সে ড্রাইভের সব ফাইল ডিলিট করে দেয়। অর্থাৎ ফাইলটা রান করলেই ড্রাইভের সব ফাইল ডিলিট হয়ে যাবে ! মাত্র কয়েক লাইনের ব্যাচ কোড অথচ কত বড় ক্ষতি করে ফেলতে সক্ষম ! অনেক দরকারি ফাইল-পত্র, তথ্য, ছবিসহ অনেক কিছুই থাকতে পারে যা হারালে লক্ষাধিক টাকারও ক্ষতি হতে পারে।</p>
<p>অর্থাৎ যেকোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের ক্ষতি করে তাকেই কম্পিউটার ভাইরাসের আওতায় ফেলা যায়। তবে উপরোল্লিখিত ধরণের ভাইরাসগুলো অ্যাণ্টিভাইরাস প্রোগ্রামগুলো সহজেই রুখে দিতে পারে। তাই অ্যাণ্টিভাইরাসের নিরাপত্তা বেষ্টনীকে ফাকি দিয়ে কাজ করার জন্যে নিত্য-নতুন ভাইরাস তৈরি হচ্ছে। সেগুলো নিজেকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে নিজেকে ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। দেখা যাবে কোন ভাইরাস আপনার কোন বন্ধুর কম্পিউটারে আছে এবং সেটি নিজেকে মুহূর্তেই কপি করে অন্য কোথাও ছড়িয়ে দিতে সক্ষম তখন আপনি যদি আপনার কোন পেন ড্রাইভ বা অন্য কোন ইউএসবি ডিভাইস সেই কম্পিউটারে সংযুক্ত করেন তখন হয়তো সেই ভাইরাস তার একটি কপি আপনার পেন ড্রাইভে ছড়িয়ে দিবে। এভাবে সেই পেন ড্রাইভ আপনি আপনার পিসিতে সংযুক্ত করলে আপনার পিসিতেও ছড়ানোর সম্ভাবনা আছে এবং এভাবে একের পর এক কম্পিউটারে ছড়াতে থাকবে যদি না নিরাপত্তার জন্যে ভালো কোন অ্যাণ্টিভাইরাস থাকে।</p>
<p>কম্পিউটার ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকার জন্যে অবশ্যই ভালো কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে হবে। বাজারে অনেক কোম্পানির অ্যাণ্টিভাইরাসই পাওয়া যায়, সেগুলো থেকে চলতি বছরের নির্ভরযোগ্য কোন অ্যাণ্টিভাইরাস ব্যবহার করাটাই শ্রেয়। আর নিয়মিত আপডেট করে নেয়া সম্ভব হলে কম্পিউটার ভাইরাসের আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে মোটামোটি নিরাপদ বলা যেতে পারে।</p>
<p>লেখা শেষ করছি ২০১২ এর ভয়ংকর একটি ভাইরাসের কথা দিয়ে। যার নাম <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Flame_(malware)" target="_blank">ফ্লেইম</a>, তবে ফ্লেইমার, স্কাইওয়াইপারও বলা হয়। ২৮ই মে ২০১২ তে এই ভাইরাস সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয়। এটিই প্রথম ব্লুটুথের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম ছিল।</p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a7%80/">কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কিত প্রাথমিক ধারণা !</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>গন্তব্য</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 May 2013 07:58:54 +0000</pubDate>
		<dc:creator>জয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অনুপ্রেরণা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1979</guid>
		<description><![CDATA[<p>সব কিছু থেকে দূরে একান্তই নিজের কাছে&#8230;আমরা থাকি নিজের মতো করে। এই থাকায় সবাই সন্তুষ্ট হতে পারি না। ভাবি অনেক কিছু। হব এর মতো, তার মতো, আরও কত কি! ভেবে দেখি কি যে নিজেকেই হারিয়ে ফেলি। হয়তো হয়ে যাই নতুন এক চারা। তাও বড় হয়ে সুন্দর এক ভূমিকা নেবে। তবে যে পরে ছিল একান্তই নিজের [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/">গন্তব্য</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>সব কিছু থেকে দূরে একান্তই নিজের কাছে&#8230;আমরা থাকি নিজের মতো করে। এই থাকায় সবাই সন্তুষ্ট হতে পারি না। ভাবি অনেক কিছু। হব এর মতো, তার মতো, আরও কত কি! ভেবে দেখি কি যে নিজেকেই হারিয়ে ফেলি। হয়তো হয়ে যাই নতুন এক চারা। তাও বড় হয়ে সুন্দর এক ভূমিকা নেবে। তবে যে পরে ছিল একান্তই নিজের কাছে&#8230;তার কি হবে? সে কি সেই বধ্য ঘোরে পরে রইবে? তাকে বেরোতে দেবে না? কি লাভ কারো মতো হয়ে? নিজের সেই পরে থাকাকে জাগিয়ে দেখো না। যাই করবে কর নিজের মতো করে। খুঁজে বের কর নিজেকে&#8230;নিজের গন্তব্য।</p>
<p>আমরা নিজের মতো করে ঘুমোতে পছন্দ করি। তবে সেই ঘুমের কথা বলতে অনেকেই পছন্দ করি না। কারো মতন করে বলার এক প্রখর চেষ্টা চালিয়ে যাই। হয়তো এক সময় হয়েও উথি ঠিক যা চেষ্টা করি। তবে যে ঘুমোতে পছন্দ করে তাকে নিজের মতো করে একবার বলতে দেও। হয়তো সে আরও সুন্দর করে বলবে। দেখতে চাই না আমরা। সবই যেন কারো মতো করে করলে ভালো হয়। নিজের মতন করে গুছিয়ে ওঠার শখ যেন হারিয়ে ফেলি। এক লম্বা সময় পরে যখন ভাঙ্গে ঘুম&#8230;চোখ ডলতে ডলতে বলি হল তো অনেক দেরি। এই ভাবলে হবে? দেরিটা না দেখে এগিয়ে দেখো। তবে এবার নিজের মতো করে। সবাইকে দেখো। শিখে নেও অনেক কিছু। তবে যখন করবে নিজে চেষ্টা ধরো না কো সেই বেশ টা। যাকে দেখেছ সে ভাল&#8230;অনেক ভালো। এবার তোমার পালা। নিজের মতো করে দেখ&#8230;জানো&#8230;শেখো।।<br />
<span id="more-1979"></span></p>
<p>কে বলেছে তুমি পারবে না? করেই দেখো না। তার চেয়েও অনেক ভালো হলে? তার মতো করে কি লাভ? সে তো করেই গেছে। এবার নতুন বৃক্ষের অপেক্ষা। নতুনের আলোয় আলোকিত হবার আশা। পুরনো বাতি এনে দিয়ো না। তাতে আলোকিত পথেও অন্ধকারের ছোঁয়া থেকে যাবে। তোমার কথা বলবে কে? আগের আলোর মতো। এই শুনেই খুশি? নতুন আলোটা বেশ ভালো- শোনার ইচ্ছে নেই? তবে সেই একা পরে থাকাই ভালো। যার ধাক্কা দিয়ে ফেলে রেখেছো বসে পরো তারই সাথে। উঠে এসে আলোর দেখা পাবে কিভাবে?</p>
<p style="text-align: center"><a href="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/Wall-Street.jpg"><img class="size-full wp-image-1980 aligncenter" title="গন্তব্য" alt="" src="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/Wall-Street.jpg?resize=509%2C303" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>কল্পনার সব রঙ সাথে নিয়ে আবার ফিরে দেখো। এবার কারো মতো নয়। পুরো ক্যানভাস জুড়ে তুমি, শুধু তুমি। আর কারো রঙে এঁকো না। ধৈর্য ধর না একটু। দেখবে সব নিজের মতো। পারবে না ভেবো না মোটেও। সাদা পাতা, সাথে তুমি- হবেই এবার চিত্র। কান পেতে শোন। নিশ্চয়ই পাবে তাকে, নিজেকে&#8230;তোমাকে।।</p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/">গন্তব্য</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পালং মুরগী রান্নার উপায় !</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 16 May 2013 07:34:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>দেবশ্রী মুখার্জী টুনটুনি</dc:creator>
				<category><![CDATA[শখ]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্যবটিকা]]></category>
		<category><![CDATA[মুরগী]]></category>
		<category><![CDATA[রান্না]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1969</guid>
		<description><![CDATA[<p>আমি এমন একটা মানুষ যে সাধারণ মানুষজনের কাছে পেটুক বলে পরিচিত। কিন্তু আমার মতে আমি পেটুক না&#8230;ভোজনরসিক!! খাওয়া-দাওয়া একটু বেশি মাত্রায় পছন্দ বলে নিজের স্বার্থেই অল্প বিস্তর রান্নাও করতে হয়, কারণ পেট তো আর বাসার মানুষের ব্যস্ততা বোঝে না। সে তো খিদে পেলেই লাফালাফি করতে থাকে !! তো আমি যে ২/১টা জিনিস একটু আধটু রাঁধতে [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/">পালং মুরগী রান্নার উপায় !</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>আমি এমন একটা মানুষ যে সাধারণ মানুষজনের কাছে পেটুক বলে পরিচিত। কিন্তু আমার মতে আমি পেটুক না&#8230;ভোজনরসিক!! <img src='http://i1.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_wink.gif' alt=';)' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" />  খাওয়া-দাওয়া একটু বেশি মাত্রায় পছন্দ বলে নিজের স্বার্থেই অল্প বিস্তর রান্নাও করতে হয়, কারণ পেট তো আর বাসার মানুষের ব্যস্ততা বোঝে না। সে তো খিদে পেলেই লাফালাফি করতে থাকে !! তো আমি যে ২/১টা জিনিস একটু আধটু রাঁধতে পারি তারই একটা রান্নার প্রণালী আপনাদের সাথে আজকে শেয়ার করব, সেটি হচ্ছে পালং মুরগী। সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যের জন্যও যথেষ্ট উপকারী <img src='http://i0.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" /> </p>
<p><strong>রান্নার উপকরণঃ </strong> ১। প্রয়োজনীয় পরিমাণে মুরগী (৬ পিস) , ২। পালং শাক,  ৩। টমেটো ( ২/৩ টি), ৪। রসুন (১টি), ৫। তেল,  ৬। এলাচ, ৭।দারুচিনি, ৮। লবণ।</p>
<p><a href="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/Desktop9.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1971" alt="Desktop9" src="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/Desktop9.jpg?resize=516%2C297" data-recalc-dims="1" /></a><span id="more-1969"></span></p>
<p><strong>প্রণালীঃ</strong></p>
<p>১। প্রথমে মুরগীর পিসগুলো ভালোভাবে পরিস্কার করে নিন।</p>
<p>২। টমেটো ও রসুন কেটে নিন এবং একসাথে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। এই ব্লেন্ডটি ও মুরগী একসাথে মেখে রেখে দিন।</p>
<p>৩। প্রয়োজনীয় পরিমানে পালং শাক নিয়ে অল্প জল মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ডটি যত থকথকে হবে খেতেও তত সুস্বাদু হবে।</p>
<p>৪। কড়াইয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল দিন। তেল গরম হলে তাতে একটি এলাচ ও একটি দারুচিনি দিন। অল্প সময় নেড়ে তাতে মুরগী ও পালং শাক দিয়ে আধা কাপ জল দিয়ে  প্রয়োজনমত লবণ দিয়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে রান্না করুন। পালং শাকের ব্লেন্ডটি যাতে এমন পরিমাণে হয় যে এটিই মুরগীর গ্রেভি হয়।</p>
<p>৫। মুরগী সেদ্ধ হয়ে গেলে এবং জল টেনে পালং শাকের ব্লেন্ডটি মুরগীর গায়ে গায়ে লেগে আসলে নামিয়ে ফেলুন।</p>
<p><strong>সাবধানতাঃ</strong> আমি যখন রান্না করতে যাই প্রায়ই একটা ঝামেলা বাঁধাই &#8211; লবণ দিতে ভুলে যাই! লবণের কথাটা ভুলে যাবেন না কিন্তু নইলে রান্নার স্বাদই শেষ।</p>
<p><a href="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/DSCN4297.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1970" alt="DSCN4297" src="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/DSCN4297.jpg?resize=684%2C517" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>ব্যস! হয়ে গেল পালং মুরগী ! রেসিপি লেখা যে তেমন একটা সোজা না তা এই পোস্টটা লিখতে গিয়ে বুঝতে পারলাম !! আশা করি এটি পড়ে রান্না করতে তেমন একটা অসুবিধা হবে না আপনাদের। যদি কোন সমস্যা থাকে কমেন্টে লিখে জানান আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব সমাধান দিতে <img src='http://i0.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" /> </p>
<p>শেষ করছি একটা উক্তি দিয়ে যা আমার মা আমাকে কয়েকদিন আগে বলেছিল &#8211; &#8220;রান্না করা কঠিন কিছু না, আগ্রহ থাকলেই করা যায়&#8221; !! <img src='http://i0.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" /> </p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/">পালং মুরগী রান্নার উপায় !</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আরজিবি ও সিএমওয়াইকে কালার মোড কি এবং কেন?</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%87/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%87/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 08 May 2013 17:49:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আরিফুল ইসলাম পলাশ</dc:creator>
				<category><![CDATA[কি-কেন-কিভাবে]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রাফিক্স ডিজাইন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1958</guid>
		<description><![CDATA[<p>গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর ক্ষেত্রে বহুল পরিচিত সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করতে গেলে বিভিন্ন কালার মোডের দেখা মিলে। আরিজিবি (RGB) এবং সিএমওয়াইকে (CMYK) কালার মোড দু&#8217;টিই মূলত বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই পোস্টে আরজিবি এবং সিএমওয়াইকে কালার মোড কি, কোনটা কেনো ব্যবহার করা হয় তা তুলে ধরা হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার যিনি এ বিষয়ে অল্প বিস্তর হলেও [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%87/">আরজিবি ও সিএমওয়াইকে কালার মোড কি এবং কেন?</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/রঙ.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1963" alt="রঙ" src="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/রঙ.jpg?resize=768%2C480" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর ক্ষেত্রে বহুল পরিচিত সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করতে গেলে বিভিন্ন কালার মোডের দেখা মিলে। আরিজিবি (RGB) এবং সিএমওয়াইকে (CMYK) কালার মোড দু&#8217;টিই মূলত বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই পোস্টে আরজিবি এবং সিএমওয়াইকে কালার মোড কি, কোনটা কেনো ব্যবহার করা হয় তা তুলে ধরা হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার যিনি এ বিষয়ে অল্প বিস্তর হলেও পড়াশোনা করেছেন তিনিই হয়তো ভালো বলতে পারবেন বিষয়টা তবুও একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হিসেবে যতটুকু বুঝি ততোটুকুই তুলে ধরার চেষ্টা করবো।</p>
<h3>আরজিবি কালার মোড কি?</h3>
<p>লাল, সবুজ আর নীল রঙ দিয়ে দৃশ্যমান সব রঙই তৈরী করা যাবে এমন ধারণা নিয়েই আরজিবি কালার মডেল এর সূচনা হয়। তিনটি রঙের বিভিন্নটিকে বিভিন্ন পরিমাণে মিশিয়ে দৃশ্যমান অন্যান্য রঙ তৈরি করা যায়। যেমন লাল সবুজ আর নীল তিনটি রঙকেই সমপরিমাণে মেশালে সাদা রঙ পাওয়া যাবে আবার যদি শুধু লাল এর সবুজ মেশানো হয় তবে হ্লুদ রঙ পাওয়া যাবে, লাল আর নীল মেশ্লাএ ম্যাজেন্টা রঙ পাওয়া যাবে। এভাবেই এই তিনটি রঙকেই বিভিন্নভাবে বিভিন্ন পরিমানে মিশিয়ে বিভিন্ন রঙ তৈরি করা হয়। আর যখন তিনটি রঙের কোনটিই উপস্থিত থাকেনা তখন কালো রঙ পাওয়া যায়।<span id="more-1958"></span></p>
<p><a href="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/আরজিবি.gif"><img class="aligncenter" alt="আরজিবি" src="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/আরজিবি.gif?resize=580%2C413" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>আরজিবি কালার মোডের নামকরণ করা হয় লাল (Red), সবুজ (Green), নীল (Blue) এর ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষরগুলো একসাথে নিয়ে। অর্থাৎ Red এর R, Green এর G, Blue এর B একসাথে করে হয় RGB।</p>
<h3>গ্রাফিক্স ডিজাইনে আরজিবি কালার মোড</h3>
<p>ওয়েবের জন্যে যখন গ্রাফিক্স ডিজাইন করা হয় তখন আরজিবি কালার মোডকেই মূলত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আপনি যে কম্পিউটার স্ক্রিণে এই লেখাটি পড়ছেন তা কেবল আরজিবি কালার মোডের কালারগুলোকেই দেখাতে সক্ষম। আর যেহেতু ওয়েব ডিজাইনের জন্যে যে গ্রাফিক্সের কাজ করা হয় তা কেবল কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিণেই দেখা হয় সেহেতু শুধু আরজিবি কালার মোডই ব্যবহার করা হয়।</p>
<h3>আরজিবি কালার মোডের প্রকারভেদ</h3>
<div id="attachment_1961" class="wp-caption aligncenter" style="width: 458px"><a href="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/এসআরজিবি-বনাম-অ্যাডবি-আরজিবি.jpg"><img class=" wp-image-1961  " alt="এসআরজিবি বনাম অ্যাডবি আরজিবি" src="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/এসআরজিবি-বনাম-অ্যাডবি-আরজিবি.jpg?resize=448%2C333" data-recalc-dims="1" /></a><p class="wp-caption-text">এসআরজিবি বনাম অ্যাডবি আরজিবি</p></div>
<p>আরজিবি কালার মোডের বেশ কয়েকটি প্রকারভেদ থাকলেও এসআরজিবি আর অ্যাডবি আরজিবি সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যদিও সাধারণ ইমেজ প্রসেসিং সফটওয়্যারগুলো আরজিবি মোড ব্যবহার করে থাকে, তবু অ্যাডবি আরজিবি কালার মোড ব্যবহারের জন্যে অ্যাডবির কোন ইমেজ প্রসেসিং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে, যদিও অ্যাডবিতে অনেকগুলো কালার মোড ব্যবহার করার সুযোগ থাকে।</p>
<p>ওয়েব গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্যে এসআরজিবিই (sRGB) সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। কারণ বেশিরভাগ কম্পিউটার মনিটরই এসআরজিবি কালার স্ক্রিণে দেখাতে পারে। অন্যদিকে অ্যাডবি আরজিবিতে এসআরজিবির চাইতে ৪৫% বেশি রঙ নির্বাচন করার সুযোগ থাকে। অর্থাৎ অ্যাডবি আরজিবিতে রঙের পরিমাণ এসআরজিবি্র চাইতে শতকরা ৪৫ ভাগ বেশি ! ! তবুও অ্যাডবি আরজিবির চাইতে এসআরজিবিই বেশি ব্যবহৃত হয়, কারণ বেশিরভাগ কম্পিউটার মনিটর অ্যাডবি আরজিবির অতিরিক্ত রঙগুলো নাও দেখাতে পারে। বর্তমানে আধুনিক ক্যামেরাগুলোর অনেকগুলোতেই অ্যাডবি আরজিবি কালার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।</p>
<h3>সিএমওয়াইকে (CMYK) কালার মোড কি?</h3>
<p><a href="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/সিএমওয়াইকে.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1962" alt="সিএমওয়াইকে" src="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/সিএমওয়াইকে.jpg?resize=670%2C670" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>প্রিন্টিং এর ক্ষেত্রে সিএমওয়াইকে কালার মোড ব্যবহার করা হয়। কারণ প্রিন্টিং এর জন্যে আরজিবি কালার মোড ব্যবহার করা সম্ভব না। আরজিবি কালার মোডে করা গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজগুলো কম্পিউটার স্ক্রিণেই সঠিকভাবে দেখা সম্ভব। তা প্রিন্ট আউট করে বের করলে কম্পিউটারের মতো করে দেখা সম্ভব না। অর্থাৎ কম্পিউটারে যে রঙ যেভাবে দেখা যেতো সে রঙ ঠিক সেভাবে দেখা যাবেনা। যদিও ভালো মানের আরজিবি প্রিন্টার বাজারে পাওয়া যায়, তবে সেটা বিশাল বিশাল ছাপানোর কাজে ব্যবহার সম্ভব না। সেকারণেই সিএমওয়াইকে কালার মোড প্রিন্টিং এ ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>যখন আরজিবি কালার মোডের দু&#8217;টো রঙ একসাথে মেশানো হয় তখন সিএমওয়াইকে কালার মোডের একটি রঙ তৈরী হয়। যেমন সবুজ এবং নীল মিলিয়ে হয় সায়ান রঙ, লাল এবং নীল মিলিয়ে হয় ম্যাজেন্টা রঙ, লাল এবং সবুজ মিলিয়ে হয় হলুদ রঙ। এই প্রস্তুতকৃত সায়ান, ম্যাজেন্টা আর হলুদ প্রত্যেকেই সিএমওয়াইকে কালার মোডের মৌলিক রঙ এবং সেই সাথে কালো রঙ জুড়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ কালো, সায়ান, ম্যাজেন্টা আর হলুদ এই চারটি রঙ মিলে সিএমওয়াইকে কালার মোড তৈরী হয়।</p>
<p>সায়ান (Cyan) এর C, ম্যাজেন্টা (Magenta) এর M, হলুদ (Yellow) এর Y , এবং K ব্যবহার করা হয়েছে কালো রঙকে বোঝাতে। এর প্রত্যেকটির প্রথম অক্ষর নিয়ে এবং কালো এর প্রতিক হিসেবে K নিয়ে এর নামকরণ করা হয় CMYK (সিএমওয়াইকে)</p>
<p>সিএমওয়াইকে সম্বন্ধে আর বেশি কিছু বলার নেই। কারণ বেশি কিছু জানিও না এ সম্বন্ধে। <img src='http://i0.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_razz.gif' alt=':P' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" />  এই ছিলো এই দুই কালার মোড সম্পর্কে সাধারণ কিছু তথ্য। ভুল থাকাটা অস্বাভাবিক না, সেক্ষেত্রে ভুল ধরিয়ে দেয়ার অনুরোধ রইলো। আর লেখা কেমন লাগলো সেটা জানালে মন্দ হয়না।</p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%87/">আরজিবি ও সিএমওয়াইকে কালার মোড কি এবং কেন?</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ফটোশপে সিম্পল বিজনেস কার্ড ডিজাইন</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 06 May 2013 19:35:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>শিবলী</dc:creator>
				<category><![CDATA[টিউটোরিয়াল]]></category>
		<category><![CDATA[কার্ড]]></category>
		<category><![CDATA[প্রিন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[ফটোশপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজনেস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1943</guid>
		<description><![CDATA[<p>আমি মনে হয় প্রথম বাংলা ব্লগিং শুরু করি ফটোশপ টিউটোরিয়াল লিখে। আমার বেশ কিছু পোস্ট আপনারা টিউটোরিয়াল-বিডির এই লিংকে পাবেন। আজকের প্রজেক্ট ফটোশপে সিম্পল বিজনেস কার্ড ডিজাইন। টিউটোরিয়ালটা যারা নতুন নতুন ফটোশপ শেখা শুরু করেছেন তাদের প্রাকটিস এর জন্য। এই কার্ডটির একপর্শীয় কার্ড; তাই শুধু একদিকে যাবতীয় সব কিছু ছাপানো হবে এবং পেছনের দিকটি থাকবে [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/">ফটোশপে সিম্পল বিজনেস কার্ড ডিজাইন</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>আমি মনে হয় প্রথম বাংলা ব্লগিং শুরু করি ফটোশপ টিউটোরিয়াল লিখে। আমার বেশ কিছু পোস্ট আপনারা টিউটোরিয়াল-বিডির এই লিংকে পাবেন।<br />
আজকের প্রজেক্ট ফটোশপে সিম্পল বিজনেস কার্ড ডিজাইন। টিউটোরিয়ালটা যারা নতুন নতুন ফটোশপ শেখা শুরু করেছেন তাদের প্রাকটিস এর জন্য। এই কার্ডটির একপর্শীয় কার্ড; তাই শুধু একদিকে যাবতীয় সব কিছু ছাপানো হবে এবং পেছনের দিকটি থাকবে ফাঁকা।<br />
কাজ শেষ করার পর আপনার কার্ডের ফাইনাল অবস্থা নিচের মত হবে।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/Preview.jpg" /></p>
<h2>১. নতুন ডকুমেন্ট্রি:</h2>
<p>ফটোশপ ওপেন করে একটা নতুন ডকুমেন্ট্রি নিন। নিচে আমি একটা নতুন ডকুমেন্টি নিয়েছি। রেড মার্ক করা অংশ গুলোর দিকে লক্ষ্য রাখুন।<span id="more-1943"></span></p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/1.jpg" /></p>
<h2>২. ব্লিড লাইন:</h2>
<p>ব্লিড লাই সম্পর্কে আগে একটু বলে নিই; সোজা বাংলায়, আপনি কার্ড গুলো ছাপানোর পর এগুলোকে কিংবা এগুলোর কিছু অংশ কেটে আলাদা করতে হবে। তার জন্য মূল ডিজাইনের বাইরে সামান্য কিছু অংশ রাখতে হবে। এটাই ব্লিড লাইন।<br />
এখানে আমরা আলাদা কোন ব্লিড লাইন বানাবো না ব্যাকগ্রাউন্ডটাকেই ব্যাবহার করবো। তই প্রথমে ব্যাকগ্রাউন্ডটা #1e1e1e কালার দিয়ে Fill (Ctrl+ Backspace) করে নিন।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/2.jpg" /></p>
<p>এবার View&gt;New Guide যান,<br />
তারপর পরপর দুইবার Vertical সিলেক্ট করে Position 10px এবং 515px দিন।<br />
আবার পরপর দুই বার Horizontal সিলেক্ট করে Position 10px এবং 290px দিন।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/2_1.jpg" /></p>
<p>ব্যাস তাহলেই হয়ে গেল, আপনার ব্লিড এরিয়া সিলেক্ট করা।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/2_2.jpg" /></p>
<h2>৩. ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন:</h2>
<p>এবারের কাজ হল ব্যাক গ্রাউন্ড ডিজাইন। Rounded Rectangle Tool নিয়ে 30px Redius নিন। এটাই আপনার মূল কার্ড এর ব্যাকগ্রাউন্ড। এর কালার কোড হবে # 101010.</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/3.jpg" /></p>
<p>এখন আপনার কাজ হল এর লেয়ার স্টাইলে গিয়ে Gradient Overlay নিচের স্কিনসট অনুযায়ী করা।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/3_1.jpg" /></p>
<p>এবার মাউস ব্যাবহার করে Gradient এর গ্রাইভেটির একটু বদল ঘটান। প্রিন্ট করার পর এটা সুন্দর দেখাবে।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/3_2.jpg" /></p>
<p>Rectangle Tool ব্যাবহার করে নিচের মত তিনটি রিবন তৈরি করে ফেলুন এগুলোর রং এবং আকার আপনার পছন্দ অনুযায়ী দিন।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/3_3.jpg" /></p>
<p>আবার Rectangle Tool ব্যাবহার করে মত একটা রিবন হাইডার লাগিয়ে ফেলুন। এখানে আমারা কোম্পানির নাম এবং তার কার্যক্রম লিখব।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/3_4.jpg" /></p>
<p>এবার ব্যাকগ্রাউন্ড সে এর উপর যত গুলা লেয়ার তৈরি করেছি সব গুলো সিলেক্ট করে ডান-বাটনে ক্লিক করে Create Clipping Mask এ যাই।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/3_5.jpg" /></p>
<p>ব্যাস এখন আপনার কার্ডের অবস্থা নিচের টার মত।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/3_6.jpg" /></p>
<h2>৪. লেখালেখি:</h2>
<p>নিচের মত করে কোম্পানির নাম এবং তার কার্যক্রম যোগ করে ফেলুন। এখানে আমি দুইটি ফন্ট ব্যাবহার করেছি। PPLIKA.COM লিখেছি <a href="http://www.dafont.com/abeatbykai.font">abeatbyKai</a> ফন্টে এবং Online Bangla Tutorial লিখেছি <a href="http://www.dafont.com/abeatbykai.font">Neucha</a> ফন্টে। এদের সাইজ যথাক্রমে 18px এবং 12px।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/4.jpg" /></p>
<p>এবার আবার নিচের মত করে আপনার নাম এবং দায়িত্ব যোগ করে ফেলুন। এখানে NEA Shibly এবং Graphic Designer লিখতে আমি Neucha ফন্ট ব্যাবহার করেছি; এদের সাইজ যথাক্রমে 15px এবং 8px।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/4_1.jpg" /></p>
<p>এখন আবার নিচের স্কিনসট অনুযায়ী আপনার সাথে যোগাযোগের যাবতীয় তথ্য যোগ করে ফেলুন। এখানে <a href="http://www.dafont.com/abeatbykai.font">abeatbyKai</a> ফন্ট ব্যাবহার করেছি এবং সাইজ 7px।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/4_2.jpg" /></p>
<p>আশা করি টিউটোরিয়ালটা পুরোটাই পড়েছেন। কোন সমস্যা যদি না হয় ভালো; আর সমস্যা হলে তো আরও ভালো। আমাকে মন্তব্য দিয়ে জানান, আমি সাহায্য করার চেষ্টা করব।</p>
<p style="text-align: center"><img alt="" src="https://sites.google.com/site/uploadshibly/b-card/Preview.jpg" /></p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/">ফটোশপে সিম্পল বিজনেস কার্ড ডিজাইন</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মনোযোগ বৃদ্ধির রকম-সকম!</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%ae/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%ae/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 May 2013 16:46:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>দেবশ্রী মুখার্জী টুনটুনি</dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্যবটিকা]]></category>
		<category><![CDATA[মনোযোগ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1933</guid>
		<description><![CDATA[<p>&#8220;মন বসে না পড়ার টেবিলে&#8221;, &#8220;মন বসে না কাজে&#8221; এসব বাক্য অনেকের জন্যই প্রায়ই ভয়ংকরভাবে সত্যি হয়ে যায়। পড়তে বসলে, কাজ করার সময় করণীয় কাজ ছাড়া বাকি সব কিছুই আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে। তখন কাজ নিয়ে বসে আগডুম-বাগডুম-ঘোড়াডুম নিয়ে ভাবতে বসে যাওয়া অনেকেরই অভ্যাস। ফলাফল &#8211; ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়ে যায় কিন্তু কাজ শূন্য। আবার [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%ae/">মনোযোগ বৃদ্ধির রকম-সকম!</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/মনোযোগ.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1935" alt="মনোযোগ" src="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/মনোযোগ.jpg?resize=400%2C300" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>&#8220;মন বসে না পড়ার টেবিলে&#8221;, &#8220;মন বসে না কাজে&#8221; এসব বাক্য অনেকের জন্যই প্রায়ই ভয়ংকরভাবে সত্যি হয়ে যায়। পড়তে বসলে, কাজ করার সময় করণীয় কাজ ছাড়া বাকি সব কিছুই আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে। তখন কাজ নিয়ে বসে আগডুম-বাগডুম-ঘোড়াডুম নিয়ে ভাবতে বসে যাওয়া অনেকেরই অভ্যাস। ফলাফল &#8211; ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়ে যায় কিন্তু কাজ শূন্য। আবার পড়তে বসলে ঠিকমত মনোযোগ না বসায় সময় পেরিয়ে গেলেও পড়া আত্মস্থ হয় না। মনোযোগ কম থাকার এ সমস্যা বেশ গুরুতর বিধায় এটি দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া বাঞ্ছনীয়।</p>
<p>বয়ঃসন্ধিকালে এ সমস্যা সবচেয়ে গুরুতর আকার ধারণ করে। এ সময়ে দেহ-মনে নানা পরিবর্তন আসে। এর ফলে মনোযোগ কমে যায়। এ সমস্যা থেকে সমাধান পেতে যোগব্যয়াম খুব কার্যকর। এর ফলে মন শান্ত হয় এবং কাজে ও পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ে।</p>
<p>পড়তে বসার সময় শিক্ষার্থীদের অন্যান্য সকল চিন্তাকে দূরে রাখায় সচেষ্ট হতে হবে। ফোন-টিভি প্রভৃতি সকল &#8220;distractions&#8221; দূরে রাখতে হবে। কোলাহলমুক্ত আরামদায়ক স্থানে পড়তে বসা উচিত। তবে তা যেন খুব বেশি আরামের না হয় নতুবা ঘুমিয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে <img src='http://i0.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_razz.gif' alt=':P' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" /> <span id="more-1933"></span></p>
<p><a href="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/মনোযোগ-দুই.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1936" alt="মনোযোগ " src="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/মনোযোগ-দুই.jpg?resize=500%2C334" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>খুব বেশি চাপ নিয়ে কখনোই পড়া হয় না। মানসিক চাপ মনোযোগ ব্যাহত করে। চাপমুক্ত ভাবে পড়তে হবে। পড়ার টপিককে নিজের কাছে আকর্ষনীয় করে তুলতে পারলে মনোযোগ যথেষ্ট বৃদ্ধি পায় ও পড়া সহজে আত্মস্থ হয়।</p>
<p>না বুঝে মুখস্থ করলে পড়া সাধারণত মনে থাকে না। না বুঝে পড়তে থাকলে সেই পড়ার প্রতি মনোযোগও কমে যায় এবং বেশিক্ষণ পড়া যায় না।</p>
<p>একটানা বেশিক্ষণ পড়লেও মনোযোগ ধীরে ধীরে হ্রাস পায় ফলে শেষের দিকের পড়া মনে থাকে না। কিছুক্ষণ পর পর ১০-১৫ মিনিট ব্রেক নিয়ে নিয়ে পড়া উচিত। তাতে মস্তিষ্কের উপর চাপ কম পড়ে ও তা বেশি কার্যকর হয়। অর্থাৎ মনোযোগও বৃদ্ধি পায়।</p>
<p>নাওয়া-খাওয়া-ঘুম সব ভুলে পড়া একটি মারাত্মক বদঅভ্যাস। অপর্যাপ্ত ঘুম মনোযোগ মারাত্মক ভাবে হ্রাস করে থাকে। খাওয়া-ঘুম প্রভৃতি কম হলে তা শরীরের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে যা মনের জন্যও ক্ষতিকর। তাই এভাবে পড়াশোনাও ভালোভাবে করা যায় না।</p>
<p><a href="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/মনোযোগ-.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1937" alt="মনোযোগ-" src="http://i0.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/মনোযোগ-.jpg?resize=600%2C379" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>মনোযোগ খুব বেশি কম হলে অনেক সময় তা মস্তিষ্কের কোন অস্বাভাবাবিকতার জন্যও হয়ে থাকে। তাই কোন বিষয়ে মনোসংযোগ করার হার মাত্রাতিরিক্ত ভাবে কম হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।</p>
<p>এসকল বিষয় শুধু শিক্ষার্থী না বরং সকলের জন্যই প্রযোজ্য। উপরোক্ত নিয়মাদি যথাযথভাবে মেনে চললে নির্দিষ্ট কাজে মনসংযোগ করার ক্ষমতা বাড়তে বাধ্য!</p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%ae/">মনোযোগ বৃদ্ধির রকম-সকম!</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কিভাবে আসলো কনট্যাক্ট লেন্স?</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 01 May 2013 19:18:55 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আরিফুল ইসলাম পলাশ</dc:creator>
				<category><![CDATA[কি-কেন-কিভাবে]]></category>
		<category><![CDATA[কনট্যাক্ট লেন্স]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1916</guid>
		<description><![CDATA[<p>একটা সময় ছিল যখন চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকার কারণে ইয়া বড় বড় চশমা পড়তো সবাই। ধীরে ধীরে সে সময় পালটেছে, নিত্য-নতুন ডিজাইনের ডিজাইনের চশমা বাজারে ছয়লাপ করায় সেদিকেই ঝুকেছে অনেকে। এখন চশমা আধুনিক ফ্যাশনের অন্যতম অংশ হয়ে উঠেছে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে আছে রঙ বেরঙের কনট্যাক্ট লেন্সও। কিন্তু কোথা থেকে এলো এই কনট্যাক্ট লেন্স? ধারণাটাই [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf/">কিভাবে আসলো কনট্যাক্ট লেন্স?</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>একটা সময় ছিল যখন চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকার কারণে ইয়া বড় বড় চশমা পড়তো সবাই। ধীরে ধীরে সে সময় পালটেছে, নিত্য-নতুন ডিজাইনের ডিজাইনের চশমা বাজারে ছয়লাপ করায় সেদিকেই ঝুকেছে অনেকে। এখন চশমা আধুনিক ফ্যাশনের অন্যতম অংশ হয়ে উঠেছে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে আছে রঙ বেরঙের কনট্যাক্ট লেন্সও। কিন্তু কোথা থেকে এলো এই কনট্যাক্ট লেন্স? ধারণাটাই বা এলো কিভাবে? সেটাই বলবো এই পোস্টে।</p>
<h3>কনট্যাক্ট লেন্স কি?</h3>
<p>কনট্যাক্ট লেন্স হচ্ছে খুবই পাতলা প্লাস্টিক, যা চোখের মণিতে পড়া হয়। একাধিক উদ্দেশ্যে কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার হয়ে থাকে। চশমার বিকল্প হিসেবেই কনট্যাক্ট লেন্সের প্রচলন বেশি, তবে অনেকে শখের বসে কিংবা ফ্যাশন হিসেবে চোখে কনট্যাক্ট লেন্স পড়ে থাকে। বাজারে পাওয়ার লেন্স কিংবা সাধারণ লেন্স দু&#8217;টোই পাওয়া যায়। পাওয়ার লেন্সের দাম তুলনামূলক বেশি কারণ এতে বিশেষভাবে পাওয়ার দিয়ে দেয়া থাকে যাতে তা চশমার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।</p>
<p><a href="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/লেন্স1.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1918" alt="কনট্যাকট লেন্স" src="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/লেন্স1.jpg?resize=800%2C533" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<h3>কিভাবে আসলো কনট্যাক্ট লেন্স?</h3>
<p>অ্যাডলফ ফ্লিক ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম সফলভাবে চোখের জন্যে লেন্স আবিষ্কার করেন। তিনি চশমার বিকল্প কিছু খুঁজতে চেয়েছিলেন, আর সেই চিন্তা থেকেই লেন্সের আবিষ্কার। যদিও এই বিষয়ে তিনিই সর্বপ্রথম কাজ করেন নি, তার আগেও অনেকে লেন্স আবিষ্কারে শ্রম দিয়েছেন। যদিও তারা সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। রেনে, থমাস ইয়াং, মুলারসহ আরো অনেকেই দীর্ঘদিন শ্রম দিয়েও বার্থ হয়েছেন। :/</p>
<p>এতোশতো অপরিচিত নামের ভিড়ে যিনি সর্বপ্রথম কনট্যাক্ট লেন্সের ধারণা দেন তার নামটা সুপরিচিত। তিনি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। ইনি সেই মোনালিসাখ্যাত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। অসাধারণ প্রতিভাধর একজন মানুষ। তিনি ১৫০৮ সালে &#8220;কোডেক্স অব দ্য আই: ম্যানুয়াল ডি&#8221; নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম কনট্যাক্ট লেন্সের ধারণা দেন। আর এই ধারণা লাভের প্রায় ৩৮০ বছর পরে ১৮৮৮ সালে সফলতার মুখ দেখেন অ্যাডলফ ফ্লিক।<span id="more-1916"></span></p>
<div id="attachment_1919" class="wp-caption aligncenter" style="width: 230px"><a href="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/অ্যাডলফ-ফ্লিক.png"><img class="size-full wp-image-1919" alt="অ্যাডলফ ফ্লিক" src="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/05/অ্যাডলফ-ফ্লিক.png?resize=220%2C334" data-recalc-dims="1" /></a><p class="wp-caption-text">ছবিসূত্র &#8211; উইকিমিডিয়া কমনস</p></div>
<p>১৮৫২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি জার্মানিতে জন্ম ফ্লিকের। তার বাবা ছিলেন অ্যানাটমির প্রফেসর আর চাচা ছিলেন জার্মানির বিখ্যাত ফিজিওলজিস্ট। ফ্লিক পরিবারের সাথে ডাক্তারির একটা যোগসাজশ আছে আর সেই হিসেবে অ্যাডলফ ফ্লিকও যে ডাক্তার হবেন সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি আর্মিতে যোগ দিলেন ! আর কিছুদিন পরেই তৎকালীন এক যুদ্ধে যোগ দিলেন। যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে তিনি বাবার অকাল মৃত্যুতে শোকাহত হলেন এবং বাবা-চাচার পেশাকেই আপন করে নিলেন। তিনি <a title="Ophthalmology" href="https://en.wikipedia.org/wiki/Ophthalmology" target="_blank">অপথ্যালমোলজি</a> নিয়ে পড়াশোনা করা শুরু করলেন। সফলভাবে পড়াশোনা শেষ করে তিনি ১৮৭৫ সালে একজন ডাক্তার হয়ে উঠলেন। পরবর্তীতে তিনি জোরেক (স্থানের নাম) এ কনট্যাক্ট লেন্সের জন্যে গবেষণা শুরু করলেন। তখন তিনি একে কনট্যাক্ট লেন্স না বলে কনট্যাক্ট স্পেকট্যাকলস হিসেবে আখ্যায়িত করেন।</p>
<p>তিনি দীর্ঘদিন যাবত পরীক্ষা-নিরীক্ষা জাড়ি রাখেন। প্রথম দিকে তিনি খরগোশের উপর তার তৈরি লেন্সগুলো পরীক্ষা করতেন, এরপর নিজের চোখেও পরীক্ষা করে দেখেন। পরবর্তীতে বেশ অনেকজন স্বেচ্ছাসেবকের সহায়তায় তার পরীক্ষা নিরীক্ষা আরো সহজ হয়ে উঠে। অবশেষে ১৮৮৮ সালে তিনি সফলতার মুখ দেখেন, যদিও তার তৈরি লেন্স মোটেও আকর্ষণীয় ছিলোনা, অর্থাৎ সেটা আপনাকে ফ্রিতে দেয়া হলেও আপনি নিতেন না <img src='http://i2.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_razz.gif' alt=':P' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" />  । তার তৈরি লেন্স বর্তমান আধুনিক লেন্সের তুলনায় বেশ পুরু আর কাঁচের তৈরি ছিল। আধুনিক লেন্সের মতো তা শুধু মনির উপর লেপটে না থেকে চোখের সাদা অংশের উপরও লেপটে থাকতো। আর সবচেয়ে বাজে বিষয় ছিল যে সেটা দীর্ঘসময় পড়ার উপযোগী ছিলোনা। পরবর্তীতে বিভিন্ন গবেষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে ১৯৪৯ সালে সর্বপ্রথম শুধু মনির উপর লেপটে থাকা লেন্সের আবিষ্কার হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষের অবদানে লেন্স আজকের রূপে পৌঁছেছে। পরবর্তীতে কখনো সে বিষয়ে লেখার ইচ্ছা পোষণ করছি।</p>
<h3><span style="color: #c0c0c0;">শেষ কথা</span></h3>
<p>পরীক্ষা চলছে তাও সময় বের করে লেখার চেষ্টা করছি। লেখা শেষে পাঠকের মন্তব্য পেলে ভালোই লাগে। কে কি ভাবছে তা জানা যায়। নীরবে লেখা পড়ে চলে গেলো কিন্তু কেউই বুঝবোনা কার কি দরকার কিংবা কার কি মতামত। তাই মতামত দিয়ে আমাদের জানার সুযোগ করে দিন।</p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf/">কিভাবে আসলো কনট্যাক্ট লেন্স?</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>টরেন্ট কিভাবে কাজ করে এবং এর প্রয়োজনীয়তা কি?</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Apr 2013 17:00:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আরিফুল ইসলাম পলাশ</dc:creator>
				<category><![CDATA[কি-কেন-কিভাবে]]></category>
		<category><![CDATA[টরেন্ট]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1909</guid>
		<description><![CDATA[<p>টরেন্ট এর অনন্য সুযোগ-সুবিধার দরুন বর্তমানে ফাইল শেয়ারিং এর অন্যতম বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম। ২০০১ এ পাইথন প্রোগ্রামার ব্র্যাম কোহেন বিট-টরেন্ট এর ধারণার উদ্ভব ঘটান। অতঃপর তিনি ২০০১ এ বিটটরেন্ট এর সর্বপ্রথম সকলের জন্যে ব্যবহার যোগ্য ভার্শন উন্মুক্ত করেন। যদিও তা রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে যায়নি। আসলে তখন অনেকেই এর গুরুত্বটা বুঝে উঠতে পারেনি, পরবর্তীতে ২০০৪ এর [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87/">টরেন্ট কিভাবে কাজ করে এবং এর প্রয়োজনীয়তা কি?</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/04/ডাউনলোড.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1910" alt="ডাউনলোড" src="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/04/ডাউনলোড.jpg?resize=640%2C426" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>টরেন্ট এর অনন্য সুযোগ-সুবিধার দরুন বর্তমানে ফাইল শেয়ারিং এর অন্যতম বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম। ২০০১ এ পাইথন প্রোগ্রামার ব্র্যাম কোহেন বিট-টরেন্ট এর ধারণার উদ্ভব ঘটান। অতঃপর তিনি ২০০১ এ বিটটরেন্ট এর সর্বপ্রথম সকলের জন্যে ব্যবহার যোগ্য ভার্শন উন্মুক্ত করেন। যদিও তা রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে যায়নি। আসলে তখন অনেকেই এর গুরুত্বটা বুঝে উঠতে পারেনি, পরবর্তীতে ২০০৪ এর নভেম্বর থেকে হঠাতই জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ২০০৫ এ সেই জনপ্রিয়তার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। ২০০৯ এর একটি জরিপ এর মতে ফেইসবুক এবং ইউটিউব এর ব্যবহারকারী সংখ্যার যোগফল হবে সমগ্র বিশ্বে টরেন্ট ব্যবহারকারীর সংখ্যার সমান।</p>
<p>টরেন্ট কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে ছোট-খাট একটা ধারণা দেয়া হবে। টেকনিকাল টার্মগুলো এড়িয়ে রূপক উদাহরণের মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করবো, যাতে নন-টেকি সাধারণ পাঠকও বুঝতে পারেন।<span id="more-1909"></span></p>
<h3>টরেন্ট ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা কি?</h3>
<p>পছন্দের জিনিসগুলো চাইলে যেকেউ নেট থেকেই খুঁজে ডাউনলোড করে নিতে পারে। ধরা যাক পৃথিবীতে কোথাও এলিয়েন এর আগমন হয়েছে। আর কেউ একজন তার সাক্ষাৎকার নিয়ে তা ভিডিও আকারে কোন সার্ভারে আপলোড করেছে যাতে যেকেউ সহজেই সেটা ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারে। যেহেতু এটা একটা অতি আশ্চর্যজনক ঘটনা সেহেতু সারা বিশ্বেই সেই ভিডিও ডাউনলোড করে দেখার জন্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যাবে।</p>
<p>প্রায় সব দেশেই এই খবর ছড়ানোর সাথে সাথে কোটি কোটি মানুষ একই সাথে ভিডিও ডাউনলোডের চেষ্টা করবে। ফলাফল হিসেবে দেখা যাবে সার্ভার ডাউন হয়ে গেছে। এর ফলে এতোশতো আগ্রহী মানুষ তারা সেই মুহূর্তে দেখার আশা করে থাকলেও দেখতে পারছেনা যতক্ষণ না পর্যন্ত অন্য কোন সার্ভারে অন্য কেউ আপলোড করে দিচ্ছে, আর সেখানেও যে আগের সার্ভারের মতো অনর্থ ঘটবেনা সেটা কে বলবে?</p>
<p>অর্থাৎ স্বাভাবিক ভাবে আমরা যেভাবে কোন কিছু ডাউনলোড করি সেভাবে একই সাথে অনেক মানুষ সেই জিনিস ডাউনলোড করতে গেলে সার্ভার স্লো কিংবা ডাউন হয়ে যেতে পারে। তাই এটা বেশ বড় একটা ঝামেলা। এই ঝামেলাকে এড়ানোর জন্যেই ব্র্যাম কোহেন তার যুগান্তকারী আবিষ্কারটি করেন &#8211; বিটটরেন্ট।</p>
<p>অতিরিক্ত মানুষের চাপে সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম বিটটরেন্ট। এই পিটুপি (পিয়ার টু পিয়ার) ফাইল শেয়ারিং মাধ্যমে স্বাভাবিক মাধ্যমের ঠিক উল্টোটা ঘটে। অর্থাৎ যত বেশি মানুষ এক সাথে কোন ফাইল ডাউনলোড করতে চাইবে টরেন্ট এর মাধ্যমে ততো বেশি স্পিড পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। কিভাবে? সেটা নিচের প্যারা পড়ুন।</p>
<h3>টরেন্ট কিভাবে কাজ করে?</h3>
<p>ধরা যাক আগের উদাহরণে যে এলিয়েনের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছিলো, সেটি এবার কোন সার্ভারে না রেখে টরেন্টের মাধ্যমে শেয়ার করা হল। এবার আগ্রহী সবাই ফাইল ডাউনলোড না করে টরেন্ট ডাউনলোড করলো। টরেন্টের মধ্যে বিভিন্ন তথ্য থাকবে এবং একটি ট্র্যাকার এই টরেন্ট ডাউনলোডকারীদেরকে একে অপরকে খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। ভয় নেই, আপনাকে কিছুই করতে হবে, টরেন্ট ডাউনলোডের সফটওয়্যার নিজে থেকেই এগুলো করে নিবে।</p>
<div id="attachment_1911" class="wp-caption aligncenter" style="width: 555px"><a href="http://i1.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/04/টরেন্ট-কিভাবে-কাজ-করে.png"><img class="size-full wp-image-1911" alt="টরেন্ট কিভাবে কাজ করে" src="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/04/টরেন্ট-কিভাবে-কাজ-করে.png?resize=545%2C251" data-recalc-dims="1" /></a><p class="wp-caption-text">সাধারণ ডাউনলোডিং আর টরেন্ট ডাউনলোডিং এর পার্থক্য</p></div>
<p>ধরা যাক সবাই টরেন্ট ফাইলটি ডাউনলোড করছে যাতে এলিয়েনের সাক্ষাতকারের ফাইলটি সম্পর্কে তথ্য আছে। এখন ফাইলটা বিভিন্ন ছোট ছোট অংশে ভাগ হয়ে বিভিন্ন ব্যবহারকারীর কাছে যাবে এবং যারা ডাউনলোড করছে তাদের একজনের কাছ থেকেও আরেকজনের কাছে যাবে। বিষয়টাকে আরেকটু পরিষ্কার করা যাক। রহিম এলিয়েনের ভিডিওটি টরেন্ট আকারে আপলোড করলো। করিম, মফিজ, হালুয়া, কালুয়া এরা সবাই সেই টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করলো। এবার ট্র্যাকার এদেরকে এই ফাইলের ডাউনলোডকারী হিসেবে চিহ্নিত করে রাখবে এবং একে অপরকে খুজে পেতে সহায়তা করবে। যেহেতু রহিম টরেন্ট আপলোড করছে সেহেতু মূল সাক্ষাৎকারের ফাইলটা তার কাছেই আছে। তাই অন্যরা ডাউনলোড করা শুরু করলে ফাইল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে ডাউনলোডকারীদের কাছে যাবে। ধরা যাক, ফাইলের চারটা অংশ ক খ গ ঘ। এর মধ্যে রহিমের কাছ থেকে করিম পেলো ক, মফিজ পেলো খ, হালুয়া পেলো গ আর কালুয়া পেলো ঘ। প্রত্যেকের তিনটি করে অংশ আরো দরকার ফাইল সম্পূর্ণ করতে। এবার টরেন্ট ডাউনোলোডিং প্রোগ্রাম গুলো পরবর্তী ফাইলের জন্যে সরাসরি রহিমের কাছে ফাইলের অংশ চাবে না, যারা ডাউনলোড করছে তাদের যার কাছে যে অংশ আছে তাদের কাছে থেকে নিবে। এভাবে প্রতিটা ডাউনলোডকারীই ফাইলের উৎস হয়ে উঠছেন। তাই যত বেশি ডাউনলোডকারী তত বেশি উৎস আর ততো বেশি স্পিড।</p>
<p>টরেন্ট কাজ করে একটা টরেন্ট ডাউনলোডিং প্রোগ্রাম, টরেন্ট ট্র্যাকার এবং একটি বৈধ টরেন্ট ফাইলের মাধ্যমে। মানে টরেন্ট ডাউনলোড করার জন্যে আপনার কাছে ইউটরেন্ট কিংবা <a title="ইউটরেন্ট এর বিকল্প " href="http://pplika.com/%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/" target="_blank">ইউটরেন্টের বিকল্প কোন সফটওয়্যার</a> থাকতে হবে যা আপনাকে টরেন্ট এর মাধ্যমে ফাইল ডাউনলোড করে দিবে। আর বিভিন্ন টরেন্ট শেয়ারিং ওয়েবসাইট থেকে আপনাকে ছোট্ট একটা টরেন্ট ফাইল নামাতে হবে যাতে টরেন্ট এর সব তথ্য থাকবে।</p>
<h3><span style="color: #999999;">শেষ কথা</span></h3>
<p>চেয়েছিলাম সহজ করে লিখতে কিন্তু লেখা শেষে বুঝলাম যথেষ্ট ঘাপলা পাকিয়ে ফেলেছি <img src='http://i1.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_wink.gif' alt=':wink:' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" />  । সহজ করে লিখতে গিয়ে আরো কঠিন করে তুলেছি বিষয়টাকে। কারো যদি বুঝতে অসুবিধা হয় নিঃসন্দেহে বিনা দ্বিধায় কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।</p>
<p>আপনার কি মনে পড়ে সর্বপ্রথম আপনি টরেন্টে কি ডাউনলোড করেছিলেন? কমেন্টে জানাতে পারেন।</p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87/">টরেন্ট কিভাবে কাজ করে এবং এর প্রয়োজনীয়তা কি?</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যেভাবে নিবেন আপনার চশমার যত্ন&#8230;</title>
		<link>http://pplika.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b6%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://pplika.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b6%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 29 Apr 2013 16:43:44 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আরিফুল ইসলাম পলাশ</dc:creator>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্যবটিকা]]></category>
		<category><![CDATA[চশমার যত্ন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pplika.com/?p=1904</guid>
		<description><![CDATA[<p>চশমা ব্যবহার করছি প্রায় চার বছর হয়ে এলো। এর মধ্যে চশমা নিয়ে কতশত মজার ঘটনা ঘটে গেছে ভাবলে হাসিই পায়। এতদিন ধরে ব্যবহার করছি এর মধ্যে চশমার যত্ন নেয়ার কথা কোনদিন মাথায়ই আসে নি ঠিকমতো। প্রথম প্রথম যখন চশমা নেই তখন বেশ খাতির যত্ন করতাম। সাবধানে রাখতাম, কিছুক্ষণ পরপর পরিষ্কার করতাম, চশমার বাক্সটা সাথেই রাখতাম। [...]</p><p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b6%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/">যেভাবে নিবেন আপনার চশমার যত্ন&#8230;</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/04/চশমা.jpg"><img class="aligncenter size-full wp-image-1907" alt="চশমা" src="http://i2.wp.com/pplika.com/wp-content/uploads/2013/04/চশমা.jpg?resize=853%2C480" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>চশমা ব্যবহার করছি প্রায় চার বছর হয়ে এলো। এর মধ্যে চশমা নিয়ে কতশত মজার ঘটনা ঘটে গেছে ভাবলে হাসিই পায়। এতদিন ধরে ব্যবহার করছি এর মধ্যে চশমার যত্ন নেয়ার কথা কোনদিন মাথায়ই আসে নি ঠিকমতো। প্রথম প্রথম যখন চশমা নেই তখন বেশ খাতির যত্ন করতাম। সাবধানে রাখতাম, কিছুক্ষণ পরপর পরিষ্কার করতাম, চশমার বাক্সটা সাথেই রাখতাম। যখন চশমার প্রয়োজন পড়তে সাবধানে ঢুকিয়ে রাখতাম।</p>
<p>দিনে দিনে অভ্যাসটা বদলে গেছে। এখন এতো কিছুর ভিড়ে যে জিনিসটা আমাকে সুন্দর এই পৃথিবী পরিষ্কার দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে তা নিয়ে ভাবার সময় কই? ঘটনাটা আমার না, প্রায় সবারই যারা দীর্ঘদিন যাবত চশমা ব্যবহার করে আসছে। তাও যে চশমার কারণে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি তার জন্যে প্রতিদিন খানিকটা সময় দেয়া যেতেই পারে, আর যাই হোক চশমার দেখাশোনা করলে লাভটা আমাদেরই। চশমার যত্ন নেয়ার জন্যে ধুমধাম করে গাঁটের পয়সা খরচ করে কিছু করার প্রয়োজন নেই। দৈনন্দিন জীবনে চশমা নিয়ে খানিকটা সতর্কতাই চশমার যত্নের জন্যে যথেষ্ট।<span id="more-1904"></span></p>
<h3>চশমার ব্যবহারবিধি</h3>
<p>১.যদিও হাতে গোনা দুই একজন ব্যবহারকারী ছাড়া কেউই চশমার বাক্স আর সাথে দেয়া কাপড়টা কাছে রাখেন না, তবুও চেষ্টা করা উচিৎ এগুলো সাথে রাখার জন্যে। এতে করে চশমায় ময়লা লাগলে তা পরিষ্কার করার কাপড়টা সাথেই পাওয়া যাচ্ছে এবং ময়লা লাগার সম্ভাবনা থাকলে কিংবা চশমা ব্যবহার করার দরকার না পড়লে সেটা নিশ্চিন্তে রেখে দেয়া যাচ্ছে।</p>
<p>২. চশমা খুলে ফেলার সময়ে দুই হাত দিয়ে ফ্রেম ধরে খুলতে হবে। এক হাত দিয়ে চশমা খুললে ফ্রেম বেঁকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। (বিশেষ করে যদি তা রিম-লেস হয়)</p>
<p>৩.দীর্ঘদিন চশমা ব্যবহার করার পরেও আমরা জানিনা সঠিকভাবে চশমা গুটানোর জন্যে চশমার কোন অংশ আগে বন্ধ করতে হয়। চশমা গুটানোর জন্যে আগে বাম অংশ নামিয়ে এরপর ডান অংশ নামাতে হবে। যদিও এর ব্যতিক্রম করলেও সাধারণত সমস্যা হয়না। তবুও চশমা যেভাবে গুটানোর জন্যে তৈরি করা সেভাবে গুটানোটাই ভালো।</p>
<p>৪.চশমা কোথাও রাখতে হলে চশমার লেন্স নিচের দিকে রাখা উচিৎ না। এতে ময়লা লাগা খুব স্বাভাবিক আর চশমায় দাগ ও পড়ে যেতে পারে।</p>
<p>৬.কাপড় পাল্টানোর সময় চশমা খুলে নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে, চশমা পড়া অবস্থায় কাপড় পড়তে গেলে ফ্রেম এ চাপ লেগে ফ্রেম বাঁকা হয়ে যেতে পারে। গ্লাস ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেয়া যায়না।</p>
<p>৭.সরাসরি সূর্যের আলোয় কিংবা অতিরিক্ত ঠাণ্ডা স্থানে ( ফ্রিজও হতে পারে <img src='http://i2.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_razz.gif' alt=':-P' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" /> ) চশমা রাখা উচিৎ না।<!--more--></p>
<p>৮.ঘুমানোর সময় অবশ্যই চশমা খুলে নিতে হবে। অনেকেরই বালিশের পাশে চশমা রাখার অভ্যাস থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে অভ্যাস পরিবর্তন করে সতর্ক হতে হবে। বালিশের পাশে চশমা রাখলে ঘুমন্ত অবস্থায় নিজের অজান্তেই চশমা ভেঙ্গে যেতে পারে বা বেঁকে যেতে পারে। তাই উঁচু কোন স্থানে রাখা উচিৎ।</p>
<p>৯.দীর্ঘদিন চশমা ব্যবহার করে থাকলে ইতোমধ্যেই কাছেই কোথাও রেখে হারিয়ে ফেলার অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে। মাত্র চশমা খুলে রেখে পরবর্তী কিছু সময়ের ব্যবধানে সেটা কোথায় রাখা হয়েছে সেটা মনে করতে না পারাটা আমাদের অভজার্ভেশন এর অভাবে হয়ে থাকে। তাই বাসায় চশমা রেখে কোন কাজ করতে হলে সেটাকে সবসময় একটা নির্দিষ্ট স্থানে রাখা উচিৎ যাতে করে সবসময়ে একই জায়গা থেকে খুঁজে নেয়া যায়। তবে যদি এমন হয় যে চশমা চোখে দিয়েই চশমা খুঁজছেন সেক্ষেত্রে কিছু বলার নেই :-p । আমি নিজেই এমন বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি বেশ কয়েকবার।</p>
<p>১০.চশমার ব্যবহারকারী নন এমন কাউকে চশমা না দেয়াই ভালো।</p>
<p>১১.চশমা কেনার ক্ষেত্রে সামান্য কিছু টাকা বেশি দিয়ে হলেও ভালো কিছু কেনা উচিৎ। যেহেতু প্রতিদিনই কেনা হচ্ছেনা, অনেকদিন পর পর কেনা হবে সেহেতু দীর্ঘদিন ভালো সাপোর্ট পাওয়ার জন্যে ভালো লেন্স আর ভালো ফ্রেমের চশমা কেনা উচিৎ।</p>
<p>১২.দীর্ঘদিন ব্যবহারে চশমার লেন্সের আসল রঙ পরিবর্তিত হয়ে লালচে রঙ ধারণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই নতুন লেন্স নিয়ে নেয়া উচিৎ।</p>
<p>১৩.আর্থিক সমস্যা না থাকলে একাধিক চশমা কিনে রাখা ভালো। অসতর্কতাবশত চশমা ভেঙ্গে গেলে বা কোন ক্ষতি হলে অন্তত অন্যটা ব্যবহার করে সাময়িক অন্ধত্ব ( <img src='http://i2.wp.com/pplika.com/wp-includes/images/smilies/icon_wink.gif' alt=':wink:' class='wp-smiley' data-recalc-dims="1" />  ) থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।</p>
<p>১৪.চশমায় যেন ঘাম না লাগে সেটা খেয়াল রাখতে হবে।</p>
<p>১৫.যতটুকু পারা যায় ধুলাবালি এড়িয়ে চলতে হবে।</p>
<p>১৬.চশমার লেন্স হাত দিয়ে ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে, কখনোই লেন্সে হাত দিয়ে চশমা খোলা উচিৎ না।</p>
<p>১৭.দুই-তিন মাস পরপর চশমার দোকানে নিয়ে গিয়ে চশমার স্ক্রুগুলো টাইট করিয়ে নিতে পারেন। চাইলে ঘরেও করা যায়, তবে অসাবধানতা বসত দাগ ফেলে দেয়া বা কিছু ভেঙ্গে ফেলা অস্বাভাবিক কিছুনা। চশমার দোকানে এর জন্যে আলাদা টাকা চাবেনা সাধারণত।</p>
<p>*<em>কিছু পয়েন্ট হয়তো আরও দেয়া যেতে পারতো, যা হয়তো আমি খেয়াল করিনি। কারো কোন মতামত বা টিপস থাকলে সেটা সাদরে গৃহীত হবে।</em></p>
<h3><span style="color: #333333;">চশমা পরিষ্কার করা</span></h3>
<p>১.চশমায় ময়লা লাগলে হাতের কাছেই কোন কাপড় দিয়ে, তোয়ালে দিয়ে কিংবা নিজের পড়নের কাপড় দিয়েই আমরা পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। এটা মোটেও ঠিক না, খসখস কাপড় হলে দাগ পড়ে যেতে পারে লেন্সে। কটন কাপড় ব্যবহার করতে হবে পরিষ্কার করার জন্যে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি চশমার সাথে দেয়া কাপড়টা সবসময় কাছে রাখা যায়। সেটা দিয়ে চশমা পরিষ্কার করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।</p>
<p>২.মাঝে মাঝে হাল্কা গরম পানিতে চশমা ধুয়ে নেয়া যেতে পারে, বাসন-পেয়ালা মাজার তরল সাবানও ব্যবহার করতে পারেন চাইলে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি চশমা পরিষ্কার করার লিকুইড কিনে নিতে পারেন।</p>
<p>৩.চাইলে ঘরে থাকা ভিনেগারও ব্যবহার করতে পারেন। কয়েক ফোটা ভিনেগার নিয়ে চশমার লেন্সে ডলে পরিষ্কার করা যেতে পারে।</p>
<p>৪.যেকোনো সময় পানির কলের নিচে হালকা করে পানি চালু করে চশমা পরিষ্কার করা যেতে পারে</p>
<p>৫.কাগজ বা টিস্যু পেপার দিয়ে চশমার লেন্স পরিষ্কার করা থেকে বিরত থাকুন। অনেকেই টিস্যু কে নিরাপদ মনে করে থাকেন চশমা পরিষ্কার করার জন্যে। ধারণাটা ভুল, টিস্যু দিয়ে ঠিকভাবে পরিষ্কার করা যায়না। আর টিস্যু বা কাগজ ব্যবহার করলে দাগ পড়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।</p>
<h3><span style="color: #999999;">শেষ কথা</span></h3>
<p>উপরে যতটুকু পকর পকর করেছি তার কোনটাই একজন এক্সপার্ট হিসেবে করিনি, নিতান্তই একজন সাধারণ চশমা ব্যবহারকারী হিসেবে করেছি। ভুল ত্রুটি হতে পারে। সেক্ষেত্রে শুধরে দিতে পারেন চাইলে, আর যেকোনো মতামত সাদরে গৃহীত হবে।</p>
<p>আপনি কতদিন যাবত চশমা ব্যবহার করছেন? আপনি কি কি করেন চশমার যত্ন নেয়ার জন্যে? এই লেখা থেকে কি নতুন কিছু জানতে পারলেন?</p>
<p>The post <a href="http://pplika.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b6%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/">যেভাবে নিবেন আপনার চশমার যত্ন&#8230;</a> appeared first on <a href="http://pplika.com">পিপীলিকা.Com</a>.</p>]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pplika.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b6%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>4</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

<!-- Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: http://www.w3-edge.com/wordpress-plugins/

 Served from: pplika.com @ 2013-05-22 13:34:28 by W3 Total Cache -->