শুধুমাত্র স্বাদ না পাশাপাশি কিন্ত আমের বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে !

আম মূলত গ্রীষ্মকালীন ফল।  আমের নাম শুনেই জিহ্বায় জল আসেনা এমন মানুষের দেখা পাওয়া  ভার , আর স্বাদের কথা  আশা করি বলা লাগবে না। কাঁচা আম যেমন রান্না করে খেতে মজা, তেমনই পাকা আমের স্বাদ অতুলনীয়।

ফলের রাজা আম।  আমাদের দেহে আম রাজার মতোই কাজ করে থাকে। সব বয়সের মানুষই পাকা আম পছন্দ করে এবং অন্য যেকোন ফলের চেয়ে এই ফলটি বেশির ভাগ মানুষ পছন্দ করে।  আম শুধুমাত্র একটি সুস্বাধু ফলই নয়, এটি স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমাতে ওষুধের কাজও করে।

পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে। আমের বিভিন্ন জাত আছে, যেমন- ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসা, অরুনা, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্নরেখা, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, কালীভোগ, কাচামিঠা, আলফানসো, বারোমাসি, তোতাপূরী, কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপাল খাস, কেন্ট, সূর্যপূরী, পাহুতান, ত্রিফলা ইত্যাদি। আম গাছকে বাংলাদেশের জাতীয় গাছের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ এবং ভারত এ যে প্রজাতির আম চাষ হয় তার বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica।

উপমহাদেশের সবচাইতে সুস্বাদু ফল আম। কাঁচা অবস্থায় এর রং সবুজ এবং পাকা অবস্থায় হলুদ রং হয়ে থাকে। আম কাঁচা অথবা পাকা যেভাবেই খাওয়া হোক তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অনেক ক্ষেত্রে পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের গুণ আরও বেশি।

পাকা আম খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। সুস্বাদু মিষ্টি এই ফলটি সব বয়সের মানুষের কাছেই প্রিয়। খেতে সুস্বাদু এই ফলটির পুষ্টিগুণও অসাধারণ। পাকা আমে রয়েছে আয়রন, ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন-সি। এগুলো শরীরের নানা উপকারে লাগে।

গবেষণায় দেখা গেছে, আম খাওয়ার ফলে স্থুলতা, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়া ত্বক ও চুলের রঙের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, দেহের শক্তি বৃদ্ধির জন্য, কোলন ক্যান্সার রোধে, হাড় ও হজম শক্তির উন্নত করার ক্ষেত্রে এই ফলের ভূমিকা রয়েছে। আসুন অসাধারন এ ফলের উপকারিতা দেখে আসি।

আম কেন খাবেন? আমের উপকারিতা  ও পুষ্টিগুণ কি কি?

ক্যান্সার প্রতিরোধে
গবেষকরা বলেছেন, আমে এন্টি-অক্সিডেন্ট থাকার ফলে এটা কোলন, স্তন, লিউকেমিয়া এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। আমে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি, পেকটিন ও আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। দেহ তরল এবং কোষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যৌগ পটাশিয়ামের খুব ভালো উৎস হচ্ছে তাজা আম, যা উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পাকা আম টাশিয়ামসমৃদ্ধ হওয়ায় হার্টবিট ও রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এটি কোলন ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার, লিউকেমিয়াসহ প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে আম।
ত্বকের যত্নে
ত্বক পরিষ্কারে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে আমে থাকা ভিটামিন ‘সি’ কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে। শরীরের ত্বক সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে পাকা আমের তুলনা হয় না। একেবারে ভিতর ও বাহির, দুই দিক থেকেই এটি কাজ করে। যার ফলে ত্বক সতেজ ও টানটান হয়। আম খেলে সূর্যের আলোতে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের ক্ষতির পরিমাণ কমে যায়।
পাকা আম ত্বকের রোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ফলে মুখের ও নাকের উপর জন্মানো ব্ল্যাকহেড দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম পাকা আম খেলে মুখের কালো দাগ দূর হয়। আম পাতলা করে কেটে ত্বকের ওপর কিছুক্ষণ রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা কমে যাবে।
ব্রণের যত্নে
পাকা আম ত্বক সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। এটি ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই ত্বককে সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে।
হজমে সহায়ক
অনেকের এই ধারনা আছে যে, ফলমূলের মাঝে শুধুমাত্র পেঁপেই হজমশক্তির জন্য ভাল। কিন্তু না,পেঁপের মত আমেও আছে প্রয়োজনীয় এনজাইম যা শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পাকা আমের আঁশ, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ হওয়ায় হজমে সহায়তা করে।
ওজন কমাতে
যারা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাদের জন্য এখন আদর্শ ফল কাঁচা আম। পাকা মিষ্টি আমের চেয়ে কাঁচা আমে চিনি কম থাকে বলে এটি ক্যালরি খরচে সহায়তা করে। আমে অনেক ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান রয়েছে। আঁশ জাতীয় খাবার হজমক্রিয়াতে সাহায্য করার ফলে তা দেহের বাড়তি ক্যালরি ক্ষয় করতে সাহায্য করে। এছাড়া আম খেলে ক্ষুধা কমে এবং কোলেস্টেরল ও গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
হৃদযন্ত্র ও রক্ত   সুরক্ষায়
আমে উচ্চ আঁশ ও এন্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় তা হৃদরোগের সম্ভাবনাকে উল্লেখযোগ্য হারে কমায়। এক কাপ আমে ৩ গ্রাম আঁশ রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি ৭ গ্রাম আঁশ গ্রহণের ফলে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায় ৯ শতাংশ। বিটা ক্যারোটিন থাকায় হৃৎপিন্ডের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন-২ ভাল পরিমাণে রয়েছে। ক্যালসিয়াম ও আয়রন রয়েছে। কাঁচা আম খেতে পারেন এতে  পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে।
উচ্চ মাত্রার পটাশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।  কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় তা আমাদের শরীরের রক্ত পরিস্কার রাখে এবং অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা সমস্যায় বেশ উপকারী। কাঁচা আম শুকিয়ে তৈরি করা আমচূর গুঁড়া স্কার্ভি সারানোয় কার্যকর। যথেষ্ট পরিমাণে টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল না খাওয়ার ফলে সৃষ্ট রক্তঘটিত রোগই হচ্ছে স্কার্ভি। বিভিন্ন রকমের রক্তের সমস্যা যেমন– রক্তশূন্যতা, ব্লাড ক্যান্সার, রক্তক্ষরণের সমস্যা ও যক্ষ্মার সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে কাঁচা আম।
কাঁচা আমের ভিটামিন সি রক্তনালীসমূহের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কনিকা গঠনে সাহায্য করে। এতে করে যক্ষা, রক্তস্বল্পতা ও কলেরা রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড খড়রৌদ্রে একটি আমের রসের সাথে সামান্য পানি,এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খেলে তাৎক্ষণিকভাবে শরীর ঠাণ্ডা হয় এবং হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ হয় এবং গরমের কারণে হওয়া স্ট্রোকের সম্ভাবনা হ্রাসে কাঁচাআম ও জিরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
অতিরিক্ত মাত্রায়  আম খেলে সুগার বেড়ে যেতে পারে , তাই ডায়াবেটিস থাকলে পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে । প্রোটিন ও ফ্যাট আছে তাই দৈনিক মাঝারি সাইজের একটি আম খওয়া উত্তম । এর বেশি খেলে ওজন বৃদ্ধি হতে পারে।
 মজার কথা হল ডায়াবেটিকস রোগীদের আম খেলে সুগার বেড়ে যাবার প্রবণতা থাকলেও আম গাছের পাতা কিন্তু রক্তে চিনির পরিমান কমিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে। যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা যদি ৫-৬টি আম পাতা ধুয়ে একটি পাত্রে সেদ্ধ করে নিয়ে সারারাত রেখে সকালে এর ক্বাথ ছেকে নিয়ে পান করে করেন তাহলে এটা ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (৪১-৬০) কম বলে এটা যদি মাঝে মাঝে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তবে সুগারের মাত্রা খুব বেশি বাড়বে না।
কোলেস্টরেল কমায়
 অনেকেই বলেন যে পাকা আম খেলে ওজন বাড়ে। তা হয়তো কিছুটা বাড়তেই পারে তবে ওজন বাড়ানোর জন্য খেতে হবে বেশি পরিমানে আম। মজার ব্যাপার হল ওজন বাড়লেও কোলেস্টোরল কমে যায় আম খেলে। আমে আছে উচ্চ পরিমানে ভিটামিন সি, সেই সাথে আরো আছে ফাইবার ও ফলের শাঁস যা সিরাম কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টরল যেমন কম ঘনত্বের লাইপোপ্রটিন এর মাত্রা কমাতে সাহায্য।
ঘামাচি থেকে মুক্তি
গরমের সময় ঘামাচি একটি অস্বস্তিকর ব্যাপার। ঘামাচির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় কাঁচা আম খাওয়া। কাঁচা আমে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা সানস্ট্রোক হতে বাধা দেয়। কাঁচা আমের সঙ্গে চিনি, জিরা এবং চিম্টি লবণ, মিশিয়ে সেদ্ধ করে জুস করে খেলে ঘামাচি রোধ করতে সাহায্য করে
রোগ প্রতিরোধে
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে ও গরমের সময় সর্দিগর্মি থেকে রক্ষা করে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় অ্যান্টি-ভাইরাস ও অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান রয়েছে।  কাঁচা আমে অধিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে শরীরকে রক্ষা করে। শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারি উপাদান টক্সিন ধ্বংস করতে কাঁচা আমের বিকল্প নেই। এছাড়া কাঁচা আমের কল্যাণে মুখের ভেতরের যে কোনো রকমের ঘা দ্রুত নিরাময় হয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে
উচ্চ আঁশযুক্ত আম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটা ভালো হজমের জন্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের জন্য খুবই কার্যকরি।সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আম খেলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ হয়। কয়েকটুকরো কাঁচা আম লবণ ও মধুসহযোগে খেলে বদহজম ও কৌষ্ঠকাঠিণ্য দূর হয়।
অ্যাজমা প্রতিরোধে
যারা আম খেয়ে থাকেন তাদের মাঝে অ্যাজমা হওয়ার সম্ভাবনা কম। এটি আমের একটি চমকপ্রদ স্বাস্থ্য উপকারিতা। এতে থাকা উচ্চ বিটা ক্যারোটিন অ্যাজমা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
চোখের যত্নে
আমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’। এতে আলফা ক্যারোটিন ও বিটা ক্যারোটিন থাকায় দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। শুধুমাত্র এক কাপ পাকা আম খেয়ে সারাদিনের ভিটামিন ‘এ’র চাহিদার ২৫ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব। এছাড়া এটা দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে, চোখের শুষ্কতা ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাঁচায়
কাঁচা আমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি। ভিটামিন-এ চোখের জন্য উপকারী এবং সি যে কোনো ধরণের ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাঁচায়।
জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধে
গর্ভাবস্থায় আম খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। আম ‘বি’ ভিটামিনে সমৃদ্ধ। এতে ভিটামিন বি১, বি২, বি৫, বি৬, নায়াসিন এবং ফলিক এসিড রয়েছে। ফলিক এসিড গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটা জন্মগত ত্রুটির সম্ভাবনা কমায়। দৈনিক ফলিক এসিডের চাহিদা হচ্ছে ৪০০ মাইক্রোগ্রাম আর এক কাপ তাজা আম থেকেই পাওয়া যায় ৭১ মাইক্রোগ্রাম। পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও কালসিয়ামসহ খনিজ পদার্থের বেশ ভালো উৎস হচ্ছে আম।

ক্ষতিকর কেমিক্যাল মুক্ত গাছপাকা আম খেতে চান?

আপনারা জানেন যে বাংলাদেশের আমের সিংহভাগ উৎপাদিত হয় উত্তর বঙ্গে। ফলে ঐ অঞ্চল ব্যতিত দেশের অন্যান্য যায়গার মানুষের পক্ষে গাছপাকা কেমিক্যাল মুক্ত আম পাওয়া বেশ কষ্টকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।  প্রতি বছর লাখ লাখ মেট্রিক টন আম ধ্বংস করেও ফরমালিনের বিষাক্ত অভিশাপ থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। শুধুমাত্র প্রশাসন এ গুরুভার পালন করতে পারবে না। আমাদেরও এগিয়ে আসতে। ফরমালিনের ক্ষতিকর গুলো ব্যবসায়ীদের বুঝিয়ে বলতে হবে।

অতএব বুঝতেই পারছেন আমের উপকারিতা অপরিসীম। আসছে আমের সিজন। অবশ্যই আপনি এবং আপনার পরিবারের সদস্যরা আম খাবেন। তবে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত আম খেতে হবে। বাজারের ফরমালিন যুক্ত আমের উপকারিতা থেকে অপকারিতাই বেশি। এই বিষয়ে সাবধান হতে হবে।

তথ্য সূত্রঃ নানা ওয়েব পোর্টাল

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

মানজুরুল হক