কলা খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা!

কলা বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় একটি ফল। মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি বেশ সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি খাবার। কলা খেতে সবাই পছন্দ করে। কলা খেতে পছন্দ করেন না এমন ব্যক্তি হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। আবার অনেকেই হয়ত কলা খেতে পছন্দ করেন না। এই আর্টিকেলটি পড়ার পরেও হয়ত আপনি কলা পছন্দ করবেন না। তবে খুব সম্ভব কলার প্রতি আপনার দৃষ্টি ভঙ্গি বেশ পাল্টে যাবে। 

বছর জুড়ে সবচেয়ে সহজলভ্য এই ফলটি সস্তা ও স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। কলা শরীরে শক্তি যোগায় এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। পাকা কলা পুষ্টির  একটি ভাল উৎস । 

প্রতি ১০০ গ্রাম পরিমাণ কলায় আছে ১১৬ ক্যালোরি, ক্যালসিয়াম ৮৫মি.গ্রা., আয়রন ০.৬মি.গ্রা. , অল্প ভিটামিন সি, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ৮মি.গ্রা., ফসফরাস ৫০মি.গ্রা.,পানি ৭০.১%, প্রোটিন ১.২%, ফ্যাট/চর্বি ০.৩%, খনিজ লবণ ০.৮%, আঁশ ০.৪%,শর্করা ৭.২%। কলায় পানির পরিমান প্রায়  পানি ৭০.১%,। 

কলা অতিরিক্ত পেকে গেলে এর চামড়ায় কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। আর এই দাগের কারণে বেশির ভাগ সময় অতিরিক্ত পাকা কলা কেউ খেতে চান না। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই অতিরিক্ত পাকা কলার রয়েছে অনেকগুলো স্বাস্থ্যগুণ?

কলায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল, যা আপনার ত্বক ও হাড়ের জন্য উপকারী। তাছাড়া এটি ক্যানসার, হৃদরোগ, অসটিওআর্থিরিটিসের রোগের ঝুঁকি কমায়। বয়স্কদের হাড়ের ক্ষয়জনিত সমস্যা প্রতিরোধ করে কলা।  এমনকি পাকা কলার খোসা দাঁতের হলুদ দাগ দূর করতে দারুণ কাজ করে। চলুন কলার উপকারিতাগুলো জেনে নেওয়া যাক। 

কলার উপকারিতাঃ যা সবার জানা দরকার

হতাশা প্রতিরোধে

অবসাদে ভোগা কিছু মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে কলা খেলে ভাল বোধ করেন তারা। বিজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত হয়েছে, খাদ্যাভাস হিসেবে কলা বিষন্নতার সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। কলার মধ্যে রয়েছে খুবই উচ্চ ঘনত্বের ট্রিপটোফেন নামক এক প্রকার অ্যামিনো এসিড  যা সিরোটোনিন হরমোন উৎদন করে ।

সিরোটোনিন হরমোন অফ হ্যাপিনেস নামে পরিচিত। শরীরে এই হরমোনের মাত্রা বাড়লে মুড ভাল হয়ে রিল্যাক্স বোধ করে মানুষ। মুড অফ একটি অতি পরিচিত প্রি-মেন্সট্রয়াল সিনড্রোম। কলার মধ্যে থাকা ভিটামিন বি৬ শরীরে গ্লুকোজের সামঞ্জস্য বজায় রেখে মুড ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

 তাই বিষন্নতায় ভুগলে তাই দিনে ২টি করে কলা খেতে পারেন। এতে থাকা ট্রিপটোফেন শরীরের সেরোটোনিনে রূপান্তিরত হয়, যা বিষন্নতা কমাতে সাহায্য করে এবং মেজাজ ভালোর দিকে নিয়ে যাবে। 

শক্তি যোগাবে

কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা এবং সল্যুবল ফাইবার, যা ধীরে হলেও শরীরে দৃঢ় শক্তির যোগান দেয় । এ কারণে খেলোয়াড়দের  প্রায়ই খেলার আগে বা খেলা চলাকালীন সময়ে কলা খেতে দেখা যায়।

কলাতে রয়েছেে  তিন ধরনের প্রাকৃতিক চিনির শক্তিশালী মিশ্রণ থাকে, এগুলো হচ্ছে: ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ এবং সুক্রোজ। কলার এসব প্রাকৃতিক চিনি আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখে এবং প্রয়োজনীয় কর্মশক্তির যোগান দেয়।

অতিরিক্ত জ্বর কিংবা হঠাৎ ওজন কমে গেলে শরীর দূর্বল হয়ে যায়। এসময়ে কলা খেলে শরীরে শক্তির সঞ্চার হবে এবং তাড়াতাড়ি দূর্বলতা কেটে যাবে।

উচ্চ রক্তচাপ কমাবে

আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে, প্রতিদিন ২টি কলা খেতে পারেন।  কলা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে সোডিয়ামের পরিমাণ কম এবং পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এটি স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা হ্রাস করে থাকে।

কলার মধ্যে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি এবং লবণের মাত্রা কম থাকায় উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা রুখতে পারে কলা। ইউ ফুড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কলার এই গুণের কথা মাথায় রেখে স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে কলার ব্যবহার সুপারিশ করেছে।

খাদ্য হজমে সহায়তা করে

কলার ফাইবার এবং প্রোবায়োটিক অলিগোস্যাকারাইজড হজমে দারুণ সহায়ক বলে জানা যায় । এর ফলে আপনার শরীর আরও বেশি পরিমাণে পুষ্টি সঞ্চয় করতে পারে। 

কোষ্ঠকাঠিন্য

কলার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন ২টি করে কলা খেলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হবে। কলার মধ্যে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে।

মস্তিষ্ক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি

ইংল্যান্ডের টুইকেনহ্যাম স্কুলের ২০০ জন পড়ুয়ার ওপর টানা ১ বছর ধরে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল । পরীক্ষার আগে টানা ব্রেকফাস্ট, ব্রাঞ্চ ও লাঞ্চে কলা খাওয়ানো হয় তাদের। দেখা গিয়েছিল কলার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম তাদের মনসংযোগ বাড়ানোর ফলে অন্যদের থেকে পরীক্ষায় ভাল করেছিলেন ওই ২০০ জন পড়ুয়া।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

কলায় আছে প্রচুর পরিমাণে বিটামিন বি৬, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এ্যাসিড সৃষ্টি করে, রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখে এবং হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ, শরীরে উৎকৃষ্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টির জন্য কলার জুড়ি মেলা ভার।

কলা ডোপামিন, ক্যাটেচিন্স এর মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এর দারুণ উৎস। এগুলো শরীরকে সার্বিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার কাজ করে।

শরীরে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করে

কলাতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম পাওয়া যায়, যা আপনার শরীরের হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে । প্রতিদিন কমপক্ষে ২টি কলা খেলে, এটি আপনাকে শক্তিশালী বেশি গঠনে সহায়তা করতে পারে । এছাড়া যারা হাড়ের গাঁটে গাঁটে বাতের ব্যাথার সমস্যায় ভুগছেন, তাদের খাদ্যাভাসে কলা রাখতে পারেন।

পাকস্থলির আলসার এবং বুক-জ্বালা রোধে

পাকস্থলির আলসারে ভুগছেন? কিংবা বুক-জ্বালা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না? নিয়মিত কলা খান। কলা প্রোটেক্টিভ মিউকাস লেয়ার বৃদ্ধির মাধ্যমে পাকস্থলিতে পিএইচ লেভেল ঠিক রাখে, যা আপনাকে বুক-জ্বালা এবং পাকস্থলির আলসার থেকে রক্ষা করবে।

কলা বুক জ্বালা পোড়া কমায় এবং পাকস্থলীতে ক্ষতিকর এসিড হতে দেয় না।  এ ক্ষেত্রে কলা অ্যান্টাসিডের মত কাজ করে। অর্থাৎ কলা হজমে সহায়তা করে এবং পেট ফাঁপা সমস্যা সমাধান করে। এছাড়াও কলা পাকস্থলীতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে।

মর্নিং সিকনেস

কাজের চাপ, মানসিক চাপে অনেক সময়ই আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠে অসুস্থ বা দুর্বল অনুভব করি । রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকায় কম থাকে এনার্জির মাত্রাও । এই সময় কলা বজায় রাখে রক্তে শর্করার সঠিক মাত্রা।

শরীর থেকে নিকোটিন অপসারণ করবে

ধূমপান সম্প্রতি ছেড়ে দিয়ে থাকলে, এই সিদ্ধান্তে  ধরে রাখতে কলা সাহায্য করবে।  ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরে শরীরের নিকোটিনের তাড়নায় আবারো ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়ার ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু নয়।  

ধূমপান ছাড়তে হলে বেশি করে কলা খান। কারণ কলায় উপস্থিত ভিটামিন বি৬, বি১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম শরীর থেকে নিকোটিনের প্রভাব দূর করতে সাহায্য করে। কলা খেলে তা শরীরে থেকে নিকোটিন অপসারণে ভূমিকা রাখে, ফলে ধূমপান ছাড়ার পর শারীরিক অস্বস্তির মোকাবিলা করা যাবে।

অ্যানিমিয়া

কলার মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণ আয়রণ রক্তে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে সাহায্য করে। ফলে অ্যামিনিয়ার সম্ভাবনা কমে। এমনকি অ্যানিমিয়া সারাতেও সাহায্য করে কলা।

ডায়রিয়ার পরে দ্রুত সুস্থতা ফিরে পেতে

ডায়রিয়া হলে শরীরে পানি শূন্যতা হয়ে যায় এবং শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম বের হয়ে যায়।  কলাতে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম রয়েছে।  এসময়ে কলা খেলে শরীরের পটাশিয়ামের অভাব দূর হবে এবং হার্টের স্বাভাবিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

কিডনি সুস্থ রাখে

কলার পটাশিয়াম এমনকি কিডনিও ভালো রাখে। ইউরিনে ক্যালসিয়াম জমা হতে বাধা দেয় বলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এর ফলে হাঁড় মজবুত হওয়ার জন্যও আরও বেশি ক্যালসিয়াম বরাদ্দ থাকে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

২০০৯ সালে জাপানিজ এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত পাকা কলাতে টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর রয়েছে যা শরীরের ক্যানসারের কোষ ভেঙে দেয়। অতিরিক্ত পাকা কলা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ TNF-A  নামক এক ধরণের যৌগ সরবরাহ করে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। এতে করে ব্লাড ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায় এটি ক্যানসার নিরাময় করে না, তবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।

অতিরিক্ত ওজন

অনেকে মন খারাপ থাকলে/কাজের অতিরিক্ত চাপ থাকলে আমরা অনেকে নিজের অজান্তেই জাংক ফুড খেতে থাকি । এরকম চাপে থাকলে আমাদের ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক রাখা প্রয়োজন, যা প্রতি দুই ঘন্টায় একটি কলা খেলে ঠিক রাখা সম্ভব। 

সিজনাল এফেক্টিভ ডিসঅর্ডার

 এই রোগের ভুক্তভোগীরা কলা খেতে পারেন। কারণ এতে আছে মুড এনহ্যান্সার প্রোটিন ট্রিপটোফ্যান।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ

অনেক দেশে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে কলা ব্যবহার করা হয়। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জ্বর হলে ওষুধের বদলে খাওয়ানো হয় কলা। থাইল্যান্ডে গর্ভস্থ সন্তানের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গর্ভবতী মায়েদের মধ্যে কলা খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।

পুষ্টির পরিমাণ

কলা হল প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন বি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ ফল । কলা যখন অতিরিক্ত পেকে যায় এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়। শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্নায়ু শান্ত রাখতে

কলায় থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি যা স্নায়ুকে শান্ত করে। মানসিক চাপ কাটাতে জাংক ফুড থেকে বেশি প্রয়োজনীয় কলা। কার্বোহাইড্রেটে পরিপূর্ণ হওয়ায় কলা রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রেখে স্নায়বিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। যারা পরীক্ষার সময় খুব চাপ অনুভব করেন তারা পরীক্ষার আগে একটা কলা খান।

আঁচিলে ব্যবহার

প্রাকৃতিক ভাবে আচিল থেকে মুক্তি পাওয়ার এটা একটি প্রাচীন উপায়। একটি পাকা কলা নিন। কলা ছিলিয়ে আপনার আচিলের ওপর উপুড় করে স্থাপন করুন। এবার তার ওপরে সার্জিক্যাল টেপ পেচিয়ে রাখুন।

মশার কামড়

মশার কামড়ে চামড়া ফুলে গেছে? বাজারের কোনো ক্রীম কেনার আগে মশার কামড়ে ফুলে, লাল হয়ে ওঠা ত্বকের যত্ন নিতে ক্রিম বা অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার করার আগে কলার খোসা ঘষে দেখুন ত্বকের ফুলে ওঠা অংশে।  জ্বালাপোড়া কমে যাবে। 

দাঁত সাদা

অনেকের দাত হলুদ হয়ে যায় । ব্যাপারটি কেমন বিরক্তিকর। কারো সামনে ঠিকমত হাসা যায় না।  ঘরোয়া উপায়ে দাঁত সাদা করতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের দিকটা দাঁতে ঘষতে থাকুন ২ মিনিট ধরে। এরপর ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে ফেলুন। মাত্র ৭ দিনেই দাঁত হয়ে উঠবে ঝকঝকে সাদা।

ত্বক সজীব করে

কলার চামড়ায় কিছু পরিমাণে ফ্যাটি উপাদান আছে, যা ত্বকে ঘষলে ময়েশ্চারাইজারের মতো কাজ করে । আবার ব্রণ দূর করার জন্যও কলার চামড়া ব্যবহার করা হয়। তবে সব ধরণের ত্বকের জন্য তা কাজ নাও করতে পারে। 

উপসংহার

ফল হিসেবে কলা অনেকে খুব পছন্দ করলেও, সবজি হিসেবে কলা অনেকেই পছন্দ করেন না। কিন্তু সবজি হিসেবে কাঁচা কলা বেশ স্বাস্থ্যকর। একটি কাঁচা কলায় ভিটামিন, মিনারেলসহ আরও অনেক পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ উপাদান রয়েছে। রোগীর ওষুধ হিসেবে কাঁচা কলা আমাদের সকলের কাছে খুবই পরিচিত। তাই সেই হিসেবে স্বাস্থ্যকর এই সবজিটি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

মানজুরুল হক