কাঁঠালের যে উপকারিতাগুলো আমাদের জানা দরকার ?

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল।  বাংলাদেশের কম-বেশি সব স্থানেই কাঁঠাল পাওয়া যায়। গরম পড়তেই ফলের বাজারে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে থাকে কাঁঠাল। প্রোটিন, ভিটামিন ও পটাসিয়ামসমৃদ্ধ এই ফল গরমে শরীর সুস্থ রাখার পক্ষে একেবারে আদর্শ।  কাঁঠাল এর অনন্য আকার, আকৃতি ও সুস্বাদু গন্ধের জন্য অনেক সুপরিচিত। কাঁঠাল একটি স্বীকৃত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল। এটি একটি সুস্বাদু মিষ্টি ফল।

গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে কাঁঠাল অতিপরিচিত একটি ফল। ফলটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল হিসেবেও খ্যাত। এর ইংরেজী নাম (Jackfruit) । কাঁঠাল এক প্রকারের হলদে রঙের সুমিষ্ট ফল। বাংলাদেশের সর্বত্র কাঁঠাল গাছ কম-বেশি পাওয়া যায়। কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক নাম Artocarpus heterophyllus “আরটোকারপাস হিটেরোফিলাস” । বসন্ত ও গ্রীস্মের প্রথমে কাঁচা অবস্থায় এবং গ্রীস্ম ও বর্ষায় পাকা অবস্থায় কাঁঠাল পাওয়া যায়। পাকা কাঁঠালে যেমন উপকার রয়েছে, তেমনি কাঁচা কাঁঠালও কম উপকারী নয়। কাঁচা কাঁঠাল আমিষ ও ভিটামিন সমৃদ্ধ তরকরি। এ ফলটি আকারে বেশ বড় হয়ে থাকে।

তুলনামূলকভাবে বিশালাকার এই ফলের বহির্ভাগ পুরু এবং কান্টকাকীর্ণ, অন্যদিকে অন্তরভাগে একটি কাণ্ড ঘিরে থাকে অসংখ্য রসালো কোয়া। কাঁঠালের বৃহদকার বীজ কোয়ার অভ্যন্তরভাগে অবস্থিত।

সুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতের প্রায় অধিকাংশ স্থানেই কাঁঠাল পর্যাপ্ত আকারে পাওয়া যায়। তবে কাঁঠাল সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ফিলিপাইনে। ব্রাজিলের উপকূলবর্তী এলাকায় কাঁঠাল চাষ হয়ে থাকে। ওখানে কাঁঠালের রস আলাদাভাবে প্যাকেট বা কৌটোবন্দি করে বাজারে বিক্রি করা হয়।

কাঁঠালের পুষ্টিগুণ

রসালো ফল কাঁঠালে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, বি-১, বি-২, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ নানা রকমের পুষ্টি ও খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। এই সকল পুষ্টিকর উপাদান আমাদের শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এর পাশাপাশি কাঁঠাল আমাদের ভিটামিনের চাহিদাও পূরণ করে। সাধারণত কাঁঠালের বিচিতে ৬.৬ গ্রাম আমিষ আছে ও ২৫.৮গ্রাম শর্করা আছে। আমাদের সবার জন্যই আমিষসমদ্ধ কাঁঠালের বিচি বেশ উপকারী।

প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কাঁঠালে ১.৮ গ্রাম, কাঁচা কাঁঠালে ২০৬ গ্রাম ও কাঁঠালের বীজে ৬.৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এই প্রোটিন দেহের গঠনে সাহায্য করে।

পাকা কাঁঠালে ০.১ গ্রাম, কাঁচা কাঁঠালে ০.৩ ও কাঁঠালের  বীজে ০.৪ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়। কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’ । পাকা কাঁঠালে ২১ মি.গ্রা, কাঁচা কাঁঠালে ১৪ মি.গ্রা এবং কাঁঠালের বীজে ১১ মি.গ্রা ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়

কাঁঠালে কিছু পরিমাণ আয়রন পাওয়া যায়। পাকা কাঁঠালে আয়রনের পরিমাণ ০.৫ মি.গ্রা, কাঁচা কাঁঠালে ১.৭ মি.গ্রা এবং বীজে ১.৫ মি.গ্রা। চাহিদা অনুযায়ী আয়রন গ্রহণ করে পেটের অসুখ, সংক্রামক রোগ, যেমন— ম্যালেরিয়া, কৃমি, আলসার, রক্ত আমাশয় ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এজন্য আমাদের সবাইকে কাঁঠাল গাছ বেশি লাগানো উচিত। স্বাভাবিক আকারের কাঁঠালের ৪-৫ কোয়া থেকে ১০০ কিলো ক্যালরি পর্যন্ত খাদ্য শক্তি পাওয়া যায়। কাঁঠালের হলুদ রঙের কোষ হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ সমদ্ধ। ২-৩ কোয়া কাঁঠাল আমাদের এক দিনের ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। সেজন্য কাঁঠাল অপুষ্টিজনিত সমস্যা রাতকানা এবং রাতকানা থেকে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করার জন্য খুবই উপকারি ফল।

প্রতিটি মৌসুমি ফলই শরীরের নানা রকম ভিটামিন ও খনিজের অভাব পূরণ করতে সাহায্য করে। কাঁঠাল একটি সুস্বাদু রসালো ফল।  আর আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালেরও রয়েছে নানা গুণাবলী।

কাঁঠালের উপকারিতা 

কাঁঠাল কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থাতেই খাওয়া যায়। কাঁঠালের স্বাস্থ্য উপকারীতার কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে এর পুষ্টিমূল্যের কথা। কাঁঠালে ভিটামিন এ, সি, নায়াসিন, থায়ামিন, রাইবোফ্লোবিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে।

অন্যদিকে,  কাঁঠালের আঁটি তরকারির সাথে রান্না করে খাওয়া হয় অথবা পুড়িয়ে বাদামের মত খাওয়া যায়। এর একটি সুবিধে হল, আঁটি অনেকদিন ঘরে রেখে দেয়া যায়। পাকা ফলের কোষ সাধারণত খাওয়া হয়, এই কোষ নিঙড়ে রস বের করে তা শুকিয়ে আমসত্বের মত ‘কাঁঠালসত্ব’ও তৈরি করা যায়। এই সুস্বাদু ফলের কত যে উপকারিতা বিদ্যমান তা আসলে বলে শেষ করা যাবে না। চলুন তাহলে জেনে নেই কাঁঠালের আরও উপকারিতা সম্পর্কে।

কাঁঠাল রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে 

আমাদের সর্দি-কাশি, জ্বরের মতো সাধারণ নানা রোগকে প্রতিহত করে এই রসালো কাঁঠাল। সাধারণত ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দারুণ উৎস কাঁঠাল।

কর্মশক্তি বাড়ায়

কাঁঠালে আছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট এবং ক্যালোরি। এছাড়াও এতে আছে সুক্রোজ, ফ্রুক্টজ, যা শরীরে খুব দ্রুত শক্তি যোগায়। কাঁঠালে কোলেস্টেরল নেই। তাই এটি একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর ফল।

রক্তস্বল্পতা রোধে কাঁঠাল

কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, ই, কে, নিয়াচিন, ফলেট, এবং ভিটামিন বি-৬। এছাড়াও আছে বিভিন্ন ধরণের মিনারেল সমৃদ্ধ উপাদান যেমনঃ কপার, ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেসিয়াম যা রক্ত তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই এটি রক্তস্বল্পতা রোধে দারুণ কাজ করে থাকে। তাই যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন তাদের জন্যে এই রসালো ফল কাঁঠাল উপকারি হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

কাঁঠালে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে। পটাশিয়াম সোডিয়াম লেবেল, ফ্লুয়িড লেবেল নিয়ন্ত্রণ করে থাকে যার মাধ্যমে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের (electrolyte) ভারসাম্য রক্ষা হয়। যার ফলে এটি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং স্ট্রোক ও হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা কাঁঠাল খেয়ে দেখতে পারেন।

দুরারোগ্য ব্যাধি প্রতিরোধে 

কাঁঠালে বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- যা কিনা আমাদের শরীরে আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম। কাঁঠালে আছে প্রয়োজনীয় পরিমাণে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রির‌্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদের সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

চোখ ভালো রাখে 

কাঁঠালে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-এ, যা আমাদের চোখের জন্য অপরিহার্য একটি পুষ্টি উপাদান। আপনারা হয়ত অনেকেই জানেন না যে, কাঁঠাল খাওয়ার অভ্যাসে দৃষ্টিশক্তি ভালো হয় এবং এটি আমাদের ত্বকের বলিরেখা বা ভাঁজ প্রতিহত করতে সক্ষম। যেহেতু, রসালো ফল কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে, তাই এটি চোখের রেটিনা বা অক্ষিপটের ক্ষতি প্রতিহত করে থাকে।

হাড় মজবুত ও শক্ত করে 

কাঁঠালে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। এই ক্যালসিয়ামের আধিক্যের জন্যে এটি হাড়ের গঠন সুদৃঢ় ও মজবুত করে। এটি অস্টেওপরোসিস (osteoporosis) নামে হাড়ের ক্ষতিকর রোগ প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই আপনি যে কেউ হাড় মজবুত করার জন্যে খাবারের তালিকায় নিতে পারেন জাতীয় ফলের সাহায্য।

ক্যান্সার রোধে অনন্য

কাঁঠালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সাথে রয়েছে phytonutrients এবং flavonoid যা ক্যান্সার রোধে কার্যকর ভুমিকা পালন করে। কোলন, ফুসফুস এবং মুখগহ্বরের ক্যান্সার থেকে রক্ষা করার দারুণ গুণ আছে কাঁঠালের। তাই ক্যান্সার থেকে যারা বেঁচে থাকতে চান তারা কাঁঠাল খেতে মিস করবেন না।

গর্ববতী মায়েদের খাবার

গর্ভবতী এবং যে মা বুকের দুধ খাওয়ান তাদের জন্য কাঁঠাল অনেক দরকারি ফল। গর্ভবতী কিংবা সদ্য মা হওয়া নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিকিৎৎসা শাস্ত্রমতে প্রতিদিন ২০০ গ্রাম তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী মহিলা ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়। গর্ভবতী মহিলারা কাঁঠাল খেলে তার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়। দুগ্ধদানকারী মা তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

ত্বকের লাবণ্যতা রক্ষায়

শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব দেখা দিলে ত্বক খসখসে হয়ে যায়। শরীরের ত্বক লাবণ্যতা হারিয়ে ফেলে সেক্ষেত্রে কাঁঠাল অনেক প্রতিরোধ করতে পারে।

বলিরেখা দূর করে

ত্বকে বলিরেখা থেকে নিষ্কৃতি দিতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে কাঁঠালের বীজ। একটি বীজ কোল্ড ক্রিমের সঙ্গে পিষে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর সেটি নিয়মিত ত্বকে লাগান। বলিরেখা পালাবে। কাঁঠালের বীজ আপনার ত্বককে করে তুলবে সজীব ও তরতাজা। দু-একটি বীজ সামান্য দুধ ও মধুতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে, সেটা দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। সেই পেস্ট সারা মুখে লাগিয়ে শুকোতে দিন। তারপর উষ্ণ গরম জলে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ত্বকের ঔজ্জ্ল্য বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

হজমশক্তি বাড়ায়

বদহজম রোধে খুবই কার্যকরী কাঁঠালের বীজ। এটি রোদে শুকিয়ে বেঁটে পাউডারের মতো করে ফেলুন। বদহজমে সহজ হোমমেড রেমেডি হতে পারে এই পাউডার। এতকিছু না করে শুধু কাঁঠালের বীজ খেলে কমবে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। কারণ প্রচুর ফাইবার থাকে কাঁঠালের বীজে

খনিজ উপাদান

রসালো ফল কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ, যা রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। আপনারা চাইলে ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয়। অন্যদিকে তার প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়ে থাকে।

আপনার স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে

পাকা কাঁঠালে রয়েছে পর্যাপ্ত পটাসিয়াম, যা আমাদের শরীরে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে যার ফলে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে পায়।

টাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস

কাঁঠাল হচ্ছে পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট একটি উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ ৩০৩ মিলিগ্রাম। যারা পটাশিয়াম আমাদের শরীরে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্যে কাঁঠালে উচ্চ রক্ত চাপের উপশম হয়ে থাকে।

মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধে ও চিকিৎসায়

 সাধারনত কাঁঠালে যে ডায়েটারি ফ্যাট উপাদানটি রয়েছে, তা আমাদের শরীরের মলাশয় থেকে বিষাক্ত উপাদানসমূহ পরিষ্কার করে। এতে করে মলাশয়ের ওপর বিষাক্ত উপাদানসমূহের ক্ষতিকর প্রভাব আমাদের শরীরে পড়তে দেয় না এমনকি মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিহত করে।

থায়রয়েডের হরমোন তৈরিতে

কাঁঠালের নানা রকম খনিজ উপাদান শরীরের নানা রকম গ্রন্থি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কাঁঠালের কপার নামক খনিজ উপাদান থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক হরমোন তৈরির ক্ষমতা বজায় রাখে।

শেষ কথা

শুধুমাত্র কাঁঠাল ফল হিসেবে নয় পাতা, বীজ, কাঠ সব কিছুই কাজে লেগে যায়। কাঁঠাল গাছের কাঠ আসবাবপত্র তৈরীর জন্য ব্যবহৃত হয়। কাঁঠাল পাতা বিভিন্ন প্রাণীর পছন্দের খাদ্য। কাঁঠালের তরকারি বাঙালির অন্যতম প্রিয় একটা খাবার।

তথ্য সূত্রঃ উইকি পিডিয়া ও অন্যান্য ওয়েব পোর্টাল

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

মানজুরুল হক