জাম্বুরার ১২টি গুণাগুণ যা আপনার জন্যে জানা অপরিহার্য

বাংলাদেশে একটি অত্যন্ত পরিচিত ফল বাতাবি লেবু। তবে জাম্বুরা নামে এটি বেশি পরিচিত। জাম্বুরার বৈজ্ঞানিক নাম citrus maxima আর ইংরেজি নাম Pomelo। বাংলাদেশে জাম্বুরা বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন বড় লেবু, বাদামি লেবু, ছোলম ইত্যাদি। যত প্রকার লেবু আছে তার মধ্যে জাম্বুরা সর্বাপেক্ষা পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। টক-মিষ্টি রসাল ফল জাম্বুরা প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরপুর। বর্ষার শেষে, শীত আসার আগ পর্যন্ত জাম্বুরার মৌসুম।

 জাম্বুরা বা বাতাবি লেবু—যাই বলি না কেন ফলটি খুবই ভিটামিনসমৃদ্ধ একটি ফল। প্রতিদিন একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের যতটা ভিটামিন ‘সি’ প্রয়োজন, একটা জাম্বুরাতে তার চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। ঠান্ডা, সর্দি-জ্বর ইত্যাদি সমস্যায় জাম্বুরা বেশ উপকারী। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

যাঁরা গ্রামে বড় হয়েছেন, তাঁরা জানেন। অনেকেই ফুটবলের অভাব পূরণ করেছেন বাতাবি লেবু বা জাম্বুরা দিয়ে ছোটবেলায় জাম্বুরা দিয়ে ফুটবল বানিয়ে বৃষ্টি-কাদায় গড়াগড়ি খেয়েছেন। কখনো জাম্বুরার খোলস হয়েছে মাথার টুপি। তবে সেই জাম্বুরার কদর এখন বেড়েছে।

জাম্বুরার কোয়ার খোসা সুদ্ধই খেতে হয় এই ফল। ফলে রসের সঙ্গে সঙ্গে অনেক আঁশও খাওয়া হয়ে যায়। এই আঁশ হজম ও বিপাকক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। বাতাবি লেবুর খাদ্য উপাদান যাদের গ্যাসিডিটি বা গ্যাস আছে তাদের জন্য বেশ উপকারী। তাছাড়াও বাতাবি লেবুতে আছে বায়োফ্লভনয়েড যা ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে মানুষকে রক্ষা করে।

জাম্বুরা পরিচিত

লেবু জাতীয় ফলের মধ্যে বাতাবি লেবুই আকৃতিতে সবচেয়ে বড়; যা ১৫-২৫ সেমি ব্যাস বিশিষ্ট হয়ে থাকে। কাঁচা ফলের বাইরের দিকটা সবুজ এবং পাকলে হালকা সবুজ বা হলুদ রঙের হয়।  এ লেবু ওজন ১-২ কেজি হয়। এটি একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল। এর পুষ্টিমান অনেক উন্নত। এ লেবু বিভিন্ন জাতের হয়ে থাকে। কোনো জাতের ভেতর লাল টকটকে। কোনোটির ভেতর আবার সাদা। কোনোটির স্বাদ মিষ্টি আবার কোনোটির স্বাদ টক হয়। 

বাতাবি লেবু বা জাম্বুরা সুদৃশ্য বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ। জাম্বুরা গাছ সাধারনত উচ্চতায় ৭ থেকে ৮ মিটার হয় এবং কিচুটা ঝোপলো এবং শাখ-প্রশাখাবিশিষ্ট। পাতা ডিম্বাকৃতি। ফুল বড় ও শ্বেতবর্ণ। ফল বড়  তালের মত এবং ফলের আবরণী বা খাসা  বেশ পুরু এবং খোসার ভিতর দিকটা ফোম এর মত নরম, শাঁস লাল, শ্বেতবর্ণ বা গোলাপী রঙের হয়। স্থানভেদে বাতাবি লেবুর রসালো কোষগুলো হলুদও হয়ে থাকে। 

পুষ্টিগুণ

প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য যোগ্য জাম্বুরায় রয়েছেঃ খাদ্যশক্তি ৩৮ কিলোক্যালরি। প্রোটিন ০.৫ গ্রাম। স্নেহ ০.৩ গ্রাম। শর্করা ৮.৫ গ্রাম। খাদ্যআঁশ ১ গ্রাম। থায়ামিন ০.০৩৪ মিলি গ্রাম। খনিজ লবণ ০.২০ গ্রাম। রিবোফ্লেভিন ০.০২৭ মিলি গ্রাম। নিয়াসিন ০.২২ মিলি গ্রাম। ভিটামিন বি২ ০.০৪ মিলি গ্রাম। ভিটামিন বি৬ ০.০৩৬ মিলি গ্রাম। ভিটামিন সি ১০৫ মিলি গ্রাম। ক্যারোটিন ১২০ মাইক্রো গ্রাম। আয়রন ০.২ মিলি গ্রাম। ক্যালসিয়াম ৩৭ মিলি গ্রাম। ম্যাগনেসিয়াম ৬ মিলিগ্রাম। ম্যাংগানিজ ০.০১৭ মিলিগ্রাম। ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম। পটাশিয়াম ২১৬ মিলিগ্রাম। সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম।

জাম্বুরার গুনাগুন বা উপকারিতা

সাধারণত খোসা ছাড়িয়ে বাতাবী লেবু ভেতরের কোষগুলো খাওয়া হয়। শিশু থেকে শুরু করে বুড়োরা সবার একটু বেশিই পছন্দের ফল এ জাম্বুরা। এর একটা কারণ হলো জাম্বুরা খেতে দাঁতের প্রয়োজন হয় না। আর ছোট ছেলে মেয়েরা লবণ ও গুড়োমরিচ দিয়ে জাম্বুরার ভর্তা বানিয়ে খেতে খুবই পছন্দ করেন। এছাড়া কাঁচামরিচ কুচি, পুদিনা পাতা বা ধনে পাতা কুচি, বিট লবণ এবং সরিষার তেলের মাখানো জাম্বুরা দুপুরে বা রাতে খাওয়ার টেবিলে সালাদ হিসেবে বেশ মজাদার। এছাড়া জুস করে, ফ্রুট সালাদ হিসেবে, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্ডি বা চকোলেট তৈরি করতে বাতাবি লেবু ব্যবহার করা হয়। মিষ্টি স্যুপ তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় বাতাবী লেবু। 

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ জাম্বুরা নানান রোগের প্রতিকারক ও প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।  জাম্বুরার বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়ে জানবো আজ।

১. মেটাবোলিজম ভাল কাজ করে যা ওজন কমাতে সহায়ক

যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য জাম্বুরা একটি জনপ্রিয় খাবার। সুস্বাদু, জাম্বুরা, ক্যালোরি খুব কম, প্রতি ১০০ গ্রাম জাম্বুরায় মাত্র ৪২ ক্যালোরি রয়েছে। ক্যালরি কম থাকায় ডায়াবেটিস ও স্থুলকায়দের জন্য খুবই উপকারী ফল। এটি অদ্রবণীয় ফাইবার ও শালিজাতীয় সমৃদ্ধ। এই আঁশ হজম ও বিপাকক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে। জাম্বুরায় কারনিটিন পামিটয়েলট্রানসফারেজ নামের এক ধরনের উৎসেচক আছে। এটা শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক। যদি কারো বিপাক প্রক্রিয়া ভালোভাবে কাজ করে তাহলে ফ্যাট পুড়ে এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায় ও।

নিয়মিত জাম্বুরা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় ও পেটের নানা রকম হজমজনিত সমস্যার প্রতিকার হয়।

তিন মাসে দুই থেকে পাঁচ কেজি ওজন কমাতে চাইলে খাবার খাওয়ার ত্রিশ মিনিট আগে এক গ্লাস জাম্বুরার রস খান, ওজন কমবে। এটি গবেষণায় প্রমাণিত। ২০০৬ সালের জার্নাল অফ মেডিসিনাল ফুড এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয় যে, যারা প্রতিবার খাবার পূর্বে অর্ধেক জাম্বুরা খান তাদের খাবারের অন্যকোন পরিবর্তন করা ছাড়াও ১২ সপ্তাহে সাড়ে তিন পাউন্ড ওজন কমে।

২. ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে

প্রতিদিন একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের যতটা ভিটামিন ‘সি’ প্রয়োজন, একটা জাম্বুরাতে তার চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি তে সমৃদ্ধ যেকোন ফল ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ঠান্ডা, সর্দি-জ্বর ইত্যাদি সমস্যায় জাম্বুরা বেশ উপকারী। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। মুখ এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার থেকেও সুরক্ষা দেয় ভিটামিন সি। শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেও সাহায্য করে জাম্বুরা । দৈনিক ভিটামিন সি এর চাহিদার ৭৮% পূরণ করতে পারে অর্ধেকটা জাম্বুরা।

৩. হৃদরোগ হতে সুরক্ষা দেয়

জাম্বুরায় আরও আছে পটাশিয়াম। এটি রক্তনালি প্রসারিত করে ও রক্তচাপ কমায় এবং হৃদ্যন্ত্র ভালো রাখে। জাম্বুরা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। জাম্বুরার পেকটিন রক্তে কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় সেইসঙ্গে হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

৪. ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন সি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার সাথে সম্পৃক্ত। প্রতিদিন এক গ্লাস করে বাতাবি লেবু জুস করে খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে। জার্নাল অফ নিউট্রিশনাল বায়োকেমেস্ট্রিতে প্রকাশিত গবেষণায় জানা যায় যে, প্রোস্ট্রেট ক্যান্সার কোষের ক্ষতিগ্রস্থ DNA এর মেরামতে সাহায্য করে জাম্বুরা ।

বাতাবি লেবুতে আছে বায়োফ্লভনয়েড যা ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে মানুষকে রক্ষা করে। এটি প্রাকৃতিক ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ ফল, এবং এর ফ্ল্যাভোনয়েড ফুসফুসের এবং মুখের গহ্বরে ক্যান্সার হুয়া থেকে রক্ষা করে।

৫. দৃষ্টি শক্তির জন্যে উপকারী

এ ফলে ভিটামিন-এ  খুব ভাল মাত্রায় রয়েছে (প্রতি ১০০ গ্রামে ১১৫০IU), এছাড়াও এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ফাইবার, বায়োফ্লভনয়েড, পেকটিন বিটা ক্যারোটিন, ম্যাঙ্গানিজের উত্তম উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে এই ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য আছে যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য উপাদান।

৬. মাড়ির রোগ সাড়ায়

ব্রিটিশ ডেন্টাল জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে জানা যায় যে, যাদের মাড়ির রোগ আছে তাদের প্রতিদিন জাম্বুরা খেলে মাড়ির রক্ত ঝরা কমে যায়। এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ভিটামিন সি গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে মাড়ির সমস্যা ভালো হয়। মাড়িকে সুস্থ রাখার জন্য ভিটামিন সি অত্যাবশ্যকীয়।

৭. কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধ করে

জাম্বুরা নারিনজেনিন থাকে যা কিডনিতে সিস্ট হওয়া প্রতিরোধ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি প্রভাব শুধু কিডনির সিস্ট গঠনেই বাঁধা দেয় না বরং কিডনির ফোলা কমাতেও সাহায্য করে।

৮. কাটা ছেঁড়ায় জাম্বুরা

চলতে ফিরতে আমরা নিজেরা বা আমাদের ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে প্রায়শই হাত পা কেটে ফেলে । তবে এ ক্ষেত্রে জাম্বুরা খুব ভাল কাজ করে।  যে কোনো ধরনের কাটা ছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে জাম্বুরার জুড়ি নেই। 

৯. এসিডিটি রোধে জাম্বুরা

প্রতি ১০০ গ্রামে বিটা ক্যারোটিনের পরিমাণ ১২০ মা.গ্রা., ভিটামিন ৬০ গ্রাম, ভিটামিন ‘বি’ও থাকে যা এসিডিটি বা গ্যাস প্রতিহত করে। তাই যাদের গ্যাস বা এসিডিটির সমস্যা হয় তারা জাম্বুরা খেলে উপকার পাবেন বলে আশা করা যায়। 

১০. রক্ত পরিষ্কার রাখে

জাম্বুরার ভিটামিন ‘সি’ রক্ত পরিষ্কার রাখে এবং রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণের ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তের লোহিত কণিকাকে টক্সিন ও অন্যান্য দূষিত পদার্থের হাত থেকে রক্ষা করে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে।  এটি ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কাজ করে শরীরের দূষিত পর্দাথগুলো শরীর থেকে বের করে দিতে সহায়তা করে। ভিটামিন ‘সি’ বেশি থাকায় রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ডায়াবেটিস, জ্বর, নিদ্রাহীনতা, মুখের ভেতরে ঘা, পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 

১১. বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে

বুড়িয়ে যাওয়া খুব একটি বিরক্তিকর সমস্যা। দেখা গেছে বয়স হবার অনেক আগেই অনেককে দেখতে বয়স্ক বয়স্ক লাগে। জাম্বুরাতে রয়েছে নানা প্রকার  অ্যান্টি অক্সিডেন্ট । জাম্বুরায় থাকা এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে এবং বুড়িয়ে যাওয়া বিলম্বিত করে।  জাম্বুরায় স্পারমেডিন নামক একটি বিশেষ উপাদান রয়েছে। এটি বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।

১২. মজবুত হাড়

আমাদের দেহে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সোডিয়ামের অভাব হলে অস্টিওপোরোসিসসহ হাড়ের নানাবিধ রোগ দেখা দেয়। জাম্বুরাতে এই খনিজ উপাদানসমূহ পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়।

সতর্কতাঃ জাম্বুরার এত সব গুনাগুন দেখে আকৃষ্ট হয়ে রাস্তার পাশে মসলা মাখানো জাম্বুরা না খাওয়াই উত্তম। আর একটি ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পটাশিয়াম থাকার কারণে কিডনি বিকলতার রোগীরা জাম্বুরা বেশি পরিমাণে খেতে পারবেন না। আবার যাঁদের রক্তচাপ কম, তাঁদেরও একটু সাবধানে খেতে হবে।

শেষ কথা

দেশি ফল জাম্বুরার টক মিষ্টি স্বাদ আর গন্ধ যেমন সবাইকে আকর্ষণ করে তেমনি রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা। বাংলাদেশে মৌসুমি ফল হিসেবে এর যথেষ্ট সমাদর রয়েছে। হাল্কা টক স্বাদের সুস্বাদু এই ফল ফলটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে গেলেও এই ফল পাবেন ভারত, চীন, জাপান, ফিজি, দক্ষিণ আফ্রিকা, এমনকি আমেরিকাতেও। তবে আলাদা আলাদা যায়গায় আপনি আলাদা আলাদা রকমের বাতাবী লেবু পাবেন। কোথাও কোথাও জাম্বুরার ভেতরের রসাল কোষগুলো হলুদ আবার কোথাও লাল বা গোলাপি হয়ে থাকে।

তথ্য সূত্রঃ অনলাইন

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

মানজুরুল হক