শখের চা

এক কাপ চা দিয়েই সকালটা শুরু। এই চা এর কাপ ছাড়া যেন দিনটাই মাটি। চা পেলে তবে দিনটা চাঙ্গা হয়। এক কাপ গরম পানিতে একটুখানি চা পাতা, প্রয়োজনে সাথে একটু চিনি, স্বাদের জন্য একটু দুধও মিশিয়ে নেয়া যায়… শেষ।। তৈরি হয়ে গেল শখের চা।

তবে এই চা আমদের দেশের নয়। এর উৎপত্তি সঠিকভাবে কেউ বলতে পারে না। খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে চায়নায় সর্বপ্রথম এক পাতার খোঁজ পাওয়া যায় যা পানীয় হিসেবে পান করা হয় এবং কিছুদিনের মধ্যেই এর জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। এরপর কোরিয়া, জাপান, ভিয়েতনামেও এই পানীয় পান শুরু হয়। ১৬শ শতাব্দীতে তা ইউরোপ-এ আসে এবং এর নাম হয় চা।
ঘুরে ঘুরে ১৮৪০ সালে চট্রগ্রামে চা পাতার চাষ শুরু হয়। ১৮৫৭ সালে সিলেটে বাণিজ্যিকভাবে চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭১ সালের ক্ষয়ক্ষতির পর বর্তমানে ১,১৫,৮২০.৩৩ হেক্টর চা বাগান রয়েছে আমাদের দেশে। চা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে এখন ১০ম। শুধু তাই নয় হরেক রকমের চা মেলে এখানে। বাজারে গেলেই পাওয়া যায় নানান চা পাতা বাহারী প্যাকেটে কিংবা খোলা। এমনকি সিলেটের শ্রীমঙ্গলে সাত রঙের চা এরও দেখা মেলে। চা এর যেন একটু ভিন্ন রুপ।

চা শুধু দিন এর শুরুটাই নয় স্বাস্থ্যের জন্যও ভাল। এই পানীয় স্নায়ুর চাপ কমায় এবং এর ফলে ক্যান্সার এরও ঝুঁকি কমে। যারা এখনও এর থেকে দূরে তারা স্বাদ নিয়ে নিতে পারেন আজই। যেকোনো টঙ এর দোকানে পেয়ে যাবেন এক কাপ গরম চা অথবা কিনে নিন চা পাতার প্যাকেট এবং বানিয়ে নিন নিজেই।

চা এর কদর কিন্তু সেই আদিকাল থেকেই। সকাল এ উঠেই কিংবা বিকেলে ফিরে চা এর কাপটা নিতেই হবে হাতে। তবে শুধু ঘরে কেন ঘুরে আসতে পারেন নানান জায়গায় এবং নিয়ে নিতে পারেন স্বাদটা… তাও আবার শখের চায়ের।।

ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂

অচ্যুত সাহা জয়
 

"কখনো কোনো পাগলকে সাঁকো নাড়ানোর কথা বলতে হয় না। আমরা বলি না। আপনি বলেছেন। এর দায়দায়িত্ব কিন্তু আর আমার না - আপনার!"